Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১২:৩৩ অপরাহ্ণ

ভিটামিন ডি বেশি খেলে ক্ষতিকারক লক্ষণগুলো,,,

সূর্যের আলো ভিটামিন ডি-এর অন্যতম উৎস। এ ছাড়াও কয়েকটি খাবার যেমন দুধ, ডিম থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। তবে শরীরের ভিটামিন ডি- এর অত্যধিক ঘাটতি দেখা দিলে অনেকেই ভরসা রাখেন ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টের ওপর। ওষুধ হিসেবে ভিটামিন ডি নিরাপদ। কিন্তু ডাক্তাররা বলছেন, তাই বলে অনেক পরিমাণে এটা খাওয়া ঠিক না। চিকিৎসক যতটুকু খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন তার থেকে বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি খেলে দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।
 

করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে ভিটামিন ডি সেবনের স্বাস্থ্যগত কিছু সুফলের কথা প্রচলিত হওয়ায় অনেকেই এই ভিটামিন ডি গ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ মনে করছেন ভিটামিন ডি খেলে করোনা হবে না। যার ফলে অনেকেই ভিটামিন ডি সেবনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এতে উপকারের চেয়ে বরং ক্ষতিই বেশি হয়েছিল। কারণ প্রায় সব ভিটামিনেরই একটি টক্সিক মাত্রা আছে। এই মাত্রার ওপর ভিটামিন সেবন করা অবশ্যই ক্ষতিকর।

ভিটামিন ডি বেশি খেলে ক্ষতিকারক লক্ষণগুলো হলো
 

পেটে ব্যথা

বমি
ক্লান্তি
প্রচণ্ড পিপাসা পাওয়া


হাইপারক্যালসেমিয়া


খনিজ হিসেবে শরীরে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি করে হাড় সুস্থ রাখে। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-এর অতিরিক্ত ব্যবহার রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যাকে বলে হাইপারক্যালসেমিয়া। সাধারণত শরীরে ক্যালসিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা ৮ দশমিক ৫-১০ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম। স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে বমি বমি ভাব, বমি, দুর্বলতার মতো শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়।

হাড়ে যন্ত্রণা
 

ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় দৃঢ় এবং শক্তিশালী করে। এর অভাবে তাই হাড়ের যন্ত্রণা হতে পারে। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-এর উচ্চ মাত্রার কারণে রক্তে এই ভিটামিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে হাড়ের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি শুরু হয়। এই কারণে হাড়ের যন্ত্রণা বা হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়।

কিডনির সমস্যা


মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন-ডি মূলত কিডনি রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। অতিরিক্ত ভিটামিন-ডি এর কারণে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বারবার প্রস্রাব পাওয়া কিংবা কিডনিতে পাথর হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই যারা ইতোমধ্যেই কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন-ডি গ্রহণ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়।কারো শরীরে যদি ভিটামিন ডি-র অভাব থাকে, সেক্ষেত্রে কতটা পরিমাণ ভিটামিন ডি খাওয়া দরকার সে বিষয়ে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 


মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ডি, বিশেষ করে কোলেক্যালসিফেরল রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই নিয়মিত ভিটামিন ডি খেলে এই লক্ষণগুলোর দিকে নজর রাখতে বলছেন চিকিৎসকরা। সমস্যা হলেই বন্ধ করতে হবে ভিটামিন ডি খাওয়া।
মন্তব্য করুন

ব্লগ