Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১২:০৩ অপরাহ্ণ

মানুষ বাচেঁ তার কর্ম এর মধ্যে , বয়সের মধ্যে নয়।

মানুষ বাঁচে কর্মের মধ্যে দিয়ে বয়সের মধ্যে দিযে নয়।

মানুষ মরণশীল হলেও কর্মগুণে অমরত্ব লাভ করে। সেক্ষেত্রে কীর্তিমান হওয়াটা আবশ্যক। জীবনের স্বংক্ষিপত সময় টাকে অনন্তকাল বাঁচিয়ে রাখা যায় কাজের মধ্যে দিয়ে বয়সে নয়। তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। শৈশব থেকে নিজেকে তৈরি করে নিতে হয়। পাঠ্য পুস্তকের  জ্ঞানের পাশাপাশি পারিপাশির্ক পরিবেশে, পরিবারের বড়দের থেকে আদেশ উপদেশ পরামর্শ িএই সব মেনে চলতে হয়।  একজন শিশুর যখন শারিরীক মানসিক সামাজিক নৈতিক নান্দনিক আধ্যান্তিক আবেগিক বিকাশ সাধিত হয়  তখন শিশুটি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন ব্যাক্তি হিসেবে গড়ে উঠে। তার গুণাবলী সমুহ বাস্তবজীবনে প্রযোগের মধ্য দিয়ে। শিশুটি যখন ছোটবেলা থেকে এই স ব গুণ গুলো অজর্ন করে যখন সে ছোটবেলা থেকে ভালো ও সৎ কাজের অভ্যাস গড়ে তোলে। ফলে সে তার জীবনে সঃ কাজের প্রতিফলন ঘটায়। তার মাঝে বোধদয় হয় কোন টি ভালো কাজ কোনটি মন্দ কাজ তাই সেই মন্দ কাজ গুলো পরিহার করে এক জন ভালো মানসুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলে । ফলে সে তার কাজের মধ্য দিয়ে হাজার বছর বেঁচে থাকে।

মৃত্যু অনিবার্য , এটি চিরন্থন সত্য, তবুও মানুষ তার কমের্র মধে্যে দিয়ে চিরকাল বেচে থাকে।স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারেন চিরকাল। সেই জন্য যারা কৃতির্মান তারা সেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে মানব সমাজে বেঁচে থাকেন। পৃথিবীতে সবই ধবংসপ্রাপ্ত হয়। কোনো মানুসই চিরকাল বেচে থাকতে পারে না। সে জন্য দীঘর্কাল বেচে থাকা বড় কথা নয় এতে তার অমরত্ব আসে না। মানুষ অমরত্ব লাভ করে তার কমর্র মাধ্যমে ।  

মন্তব্য করুন