Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৯:২১ পূর্বাহ্ণ

বাংলা সাহিত্যে বর্ষাকাল রচনা

 বর্ষা ও বাংলা সাহিত্যঃ

বর্ষা কবিহৃদয়কে উদ্বেল করেছে। বর্ষার ডাকে সে যাত্রা করেছে চিরসৌন্দর্যের অলকাপুরীতে। মঙ্গলকাব্যের কবি এঁকেছেন বর্ষার দুঃখের ছবি- বৃষ্টি হইলে কুঁড়্যায় ভাসিয়া যায় ধান।  বর্ষা মানুষের মনোলোকে সঞ্চারিত করে নতুন ভাব আর উদ্দীপনা। যুগে যুগে বর্ষার কত অপূর্ব ছবি এঁকেছেন কবি ও শিল্পী। শ্রীরাধার অভিসার পর্যায়ে বৈশ্বব কবির বর্ষা-বর্ণনা-

তহি অতি দূরতর বাদর দোল।

বারি কি বারই নীল নিচোল।

বিশ্বকবির লেখনীতে বর্ষার জলসিঞ্চিত শ্যামগম্ভীর রূপ  বর্ণীত হয়েছে –

ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে-

জলসিঞ্চিত ক্ষিতি সৌরভ-রভসে

ঘন গৌরবে নবযৌবনা বরষা

শ্যামগম্ভীর সরসা।

বর্ষার চিত্রশালে যুগে যুগে সঞ্চিত হয়েছে সঙ্গীত-কবিতার অজস্র বর্ণাঢ্য সম্ভার। এ যুগের কবি-সাহিত্যিকও বর্ষা-বন্দনার বিচিত্র মালা গেঁথেছেন।

উপসংহারঃ

বর্ষা হলো অবকাশের ঋতু, নিষ্প্রয়োজনের ঋতু। বর্ষা আমাদের কাছে এক বিপুল পৃথিবীর খবর নিয়ে আসে। বর্ষা আমাদের কাছে চির আদরের ঋতু, অনন্ত বেদনার ঋতু। এক চোখে অশ্রু, অন্য চোখে হাসি।এই আনন্দ ও বেদনা নিয়েই হল বঙ্গের বর্ষা।

 ‘আমার পরানে আজি যে বাণী উঠিছে বাজি,

অবিরাম বর্ষণধারে

কারণ শুধায়ো না, অর্থ নাহি তার ,

                         সুরের সঙ্কেত জাগে পুঞ্জিত বেদনার।’  – রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ