Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৬:৩৬ অপরাহ্ণ

মাইন্ড ম্যাপিং নিয়ে আলোচনা

মাইন্ড ম্যাপিং কাকে বলে?

যে প্রক্রিয়ায় কোনো মূল ধারণা থেকে ক্রমাগত উপ-ধারণায় অর্থপূর্ণ এবং যৌক্তিক কাঠামো মেনে বিশ্লেষণ করা হয় তাকে মাইন্ড ম্যাপিং বলে। মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতিকে শুধু মাইন্ড ম্যাপ (Mind Map) বলা হয়েও থাকে।

দেখা যায়, মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতিও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক একটি পদ্ধতি বটে। মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা এককভাবে, জোড়ায় অথবা দলীয়ভাবেও কাজ করতে পারে। তবে তা নির্ভর করবে শিক্ষকের পরিকল্পনার উপর।

মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য

  1. মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠতর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুযোগ থাকে;

  2. মাইন্ড ম্যাপিং শিক্ষার্থীর চিন্তন দক্ষতা বাড়ায়;

  3. এতে কর্মতৎপরতায় সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ে; 

  4. মাইন্ড ম্যাপিং পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর ধারণা-কাঠামো তৈরি হয়;

  5. শিক্ষার্থীর বহু-ইন্দ্রিয়ের ব্যবহার হয়; 

  6. শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা বাড়ে; 

  7. শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি হয়;

  8. শিখন প্রক্রিয়ায় তাদের অন্তর্দৃষ্টি জাগে ও সামগ্রিক শিখন হয়।

মন্তব্য করুন