Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৩:১৯ অপরাহ্ণ

সুষম খাদ্য কী? সুষম খাদ্যের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

যে সব খাদ্য মানুষের প্রয়োজনীয় সার্বিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারে তাদেরকে সুষম খাদ্য বলা হয়।

শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাবার, ভিটামিন, খনিজ লবণ, পানি; এই ছয়টি খাদ্য উপদান মানবদেহের সার্বিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য অতি জরুরী।প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এই ৬ ধরনের খাবার সঠিক অনুপাতে উপস্থিত থাকলে তাকে বা সুষম খাদ্য বলা হয়ে থাকে।

সুষম খাদ্যের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

সুস্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে, মানুষের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা এবং প্রতিদিনের কাজ-কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি এবং পুষ্টির যোগান দিতে সক্ষম সুষম খাদ্য।

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন আমাদের নির্দিষ্ট পরিমান পুষ্টি এবং ক্যালরি গ্রহনের প্রয়োজন রয়েছে। সুষম খাদ্য আমাদের সেই প্রয়োজনীয় শক্তি এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। এজন্য প্রতিদিন সুষম খাদ্য গ্রহনের মাধ্যমে আমরা আমাদের সেই দৈনন্দিন পুষ্টি এবং ক্যালরির চাহিদাকে সঠিকভাবে পূরণ করে রাখার মাধ্যমে দেহকে সুস্থ রাখতে পারি এবং একই সাথে নানা ধরনের অপুষ্টিজনিত রোগ-সমস্যা থেকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে নিজেদেরকে মুক্ত রাখতে পারি। 

শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতাকে বজায় রাখতে নিয়মিত প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং ক্যালরির চাহিদাকে পূরন করতে গ্রহণ করা খাবারের মাঝে একটি সুষম বন্টন থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। তা না হলে খাবারের সাথে সাথে শারীরিক পুষ্টির মাঝে ভারসম্যহীনতা দেখা দেবার সুযোগ বেড়ে যাবে। যা থেকে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেবার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে, যা চূড়ান্তভাবে শরীরে নানা প্রকার রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেবে এবং অন্যান্য রোগে শরীরকে আক্রান্ত করে তুলতে পারে।

শৈশবে সুষম খাদ্যের ঘাটতি শিশুদের দৈহিক এবং মানসিক বিকাশে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবার ফলে অপুষ্টিজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। যা কিনা একটি মেধাবী জাতি গঠনে অন্ত্রায় হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়াও অসাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহনে অভ্যস্ততা শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে, যা ওবেসিটি, হাই কোলেস্টেরল, হাই ব্লাড প্রেসার, ডাইবেটিস, হৃদ্রোগের সম্ভাবনাকে আরো ত্বরান্বিত করে। 

মন্তব্য করুন