Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৭:৩৮ অপরাহ্ণ

আমাদের প্রিয় নবীর রওজা মুবারক

মসজিদে নববির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা মোবারক। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজার পাশে আছেন ইসলামের প্রথম ও দ্বিতীয় খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ও হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর কবর। পাশে আরেকটি কবরের জায়গা খালি। এখানে হবে হযরত ঈসা (আ.)-এর কবর। আজকে আমরা আলোচনা করবো- নবীজির রওজা মোবারক জিয়ারতের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে- 

 

রওজা মোবারক জিয়ারতের গুরুত্ব ও ফজিলত 

 

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও পুণ্যময় ইবাদত। যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারকে এলো না, সে যেন নিজের নফসের ওপর জুলুম করলো। 
 
চার মাজহাবের প্রখ্যাত ইমামগণ এ বিষয়ে একমত যে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা মোবারক জিয়ারতের নিয়ত করা মুস্তাহাব। কেউ কেউ ওয়াজিবও বলেছেন। হযরত ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে আমার ওফাতের পর আমার রওজা জিয়ারত করল, সে যেন আমার জীবদ্দশায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করল।’ (দারাকুতনি : ২৬৯৪)
 
মদিনাতেই নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গুরুত্বপূর্ণ ১০ বছর কাটিয়েছেন। এখান থেকেই তিনি ইসলামের বাণী পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে দেন। জীবনের শেষ নিবাস হিসেবেও তিনি এই নগরীকে বেছে নেন। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহর কাছে মদিনার সব কিছুতে বরকতের দোয়া করেন। তিনি মহান আল্লাহর কাছে বলতেন, ‘হে আল্লাহ, মক্কায় যতটুকু বরকত রয়েছে, মদিনায় তার দ্বিগুণ বরকত দান করুন।’ (মুসলিম: ৩৩৯২)
 
মদিনা ঈমানের নিরাপদ স্থান। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনাকে দারুল ঈমান বা ঈমানের স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঈমান মদিনার দিকে ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তের দিকে ফিরে আসে।’ (বুখারি: ১৮৭৬)

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর মদীনা মুনাওয়ারায় যাওয়ার স্বপ্ন ও ইচ্ছে অনেকের। এ বছর আমার সৌভাগ্য হয়েছিল মুসলমানদের প্রাণের পূণ্যভূমিতে যাওয়ার। আল্লাহ তায়ালা সবাইকে নবীজীর রওজা মুবারক জিয়ারত করার তাওফিক দিন। আমিন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ