সহকারী শিক্ষক
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ
শরৎ মানেই উদাসী মন। শরৎ মানেই আকাশে চোখ মেলে অবারিত শান্তির মুহূর্ত।
শরৎ মানেই উদাসী মন। শরৎ মানেই আকাশে চোখ মেলে অবারিত শান্তির মুহূর্ত। আকাশজুড়ে সাদা মেঘের ভেলা। ওই সাদা মেঘকে হাওয়াই মিঠাই ভেবে ভুল করে ছোট্ট শিশুর দল। শরৎকে এমন অনেক কিছুর সঙ্গে তুলনা করে যুগ যুগ ধরে কবি-সাহিত্যিকরা সৃষ্টি করেছেন অমর সাহিত্য। শরতের বাতাসে ভেসে বেড়ায় অপার আনন্দ, বিশুদ্ধ বাতাস আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। ঋতুচক্রে বিচিত্র সব অনুভূতি জাগানিয়া এ ঋতু। শরৎ-বন্দনা বাংলা সাহিত্যের পরতে পরতে।
শুভ্রতার ঋতু শরৎ নিয়ে প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলাম মুগ্ধ হয়ে লিখেছেন– ‘এসো শারদ-প্রাতের পথিক/ এসো শিউলি-বিছানো পথে...।’
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন গ্রামীণ পটভূমিকায় মানুষ ও প্রকৃতিকে কবিতায় জীবন্ত করেছেন।
শরতের বিরহী রূপটি ধরা পড়েছে কবির কবিতায়– ‘গুনিতে গুনিতে শ্রাবণ কাটিল, আসিল ভাদ্র মাস, /বিরহী নারীর নয়নের জলে ভিজিল বুকের বাস।/ আজকে আসিবে কালকে আসিবে, হায় নিদারুণ আশা,/ ভোরের পাখির মতোন শুধুই ভোরে ছেয়ে যায় বাসা।’
২
২ মন্তব্য