Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

মুড সুইং কী?মুড সুইং কেন হয়?

আমাদের সবারই বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হয়ে থাকে। কিন্তু তা যদি বার বার ঘটে এবং কোন কারণ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ মন খারাপ থাকে তাহলে তা একটু চিন্তারই বিষয়।

কেননা কোন কারণ ছাড়া ঘন ঘন মেজাজের পরিবর্তন স্বাভাবিক কিছু নয়।  এই সমস্যাটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মুড সুইং বলে।

অনেক ক্ষেত্রে মুড সুইং একটি মানসিক সমস্যা বিবেচিত হয়। তবে এর জন্য চিকিৎসাও করাতে হতে পারে। আসুন আজকের লেখায় মুড সুইংয়ের কি এবং কেন হয় তার আদ্যোপান্ত জেনে নিই।

মুড সুইং কী?

মুড সুইং মানে হল ঘন ঘন মেজাজের পরিবর্তন। আপনার যখন কোন কারণ ছাড়া বা কারণ বশত দীর্ঘ সময় মন খারাপ থাকে, কিংবা বার বার মন মেজাজের পরিবর্তন ঘটে তখন সেটাকে মুড সুইং বলা হয়।

এই মুড সুইং দিন বা রাতের ভিতরে বার বার ঘটতে পারে। অনেক সময় শারীরিক কিংবা মানসিক সমস্যার কারণেও এটা হতে পারে।

তবে এই সমস্যা যদি দীর্ঘ দিন ধরে ঘটে থাকে, তাহলে তা মানসিক সমস্যা বলে বিবেচিত হবে এবং তার চিকিৎসাও লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা বলেন যে, যদি শুরুর দিকেই মুড সুইং সমস্যার সমাধান না করা যায়, তবে তা বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো জটিল এবং গভীর মানসিক রোগে পরিণত হতে পারে।

মুড সুইং কেন হয়?

অনেক সময় বিভিন্ন কারণে মুড সুইং বা মন খারাপ হতে পারে। আবার শারীরিক কিংবা মানসিক কোন রোগের ফলেও এটা হতে পারে। এছাড়াও পারিবারিক, সামাজিক কিংবা স্বাস্থ্যগত কোন কারণেও এটা হতে পারে।

সাধারণত দেহের হরমোন নিঃসরণের তারতম্যের ফলে মুড সুইং হতে পারে।

এছাড়াও মানসিক চাপ, অবসাদ বা হতাশা, অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা, মদ্যপান, ঘুমের অভাব, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, মেনোপজ ও পেরিমেনোপজ ইত্যাদি থেকেও মুড সুইং দেখা দিতে পারে।

এই মুড সুইং সম্পর্কে ফ্যামিলি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লিন্ডা সমদ্দার বলেন যে, “মূলত হরমোনের প্রভাব, পুষ্টিহীনতা, লৌহ, ভিটামিন ও খনিজের অভাবে মেজাজের দ্রুত ওঠা-নামা হয়ে থাকে।”

আবার অনেকসময় মুড সুইংয়ে হওয়া অতিরিক্ত রাগ কিংবা নেতিবাচক অনুভূতির কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে এই সমস্যা বাড়তে থাকলে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মন্তব্য করুন