Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় এদেশে শিক্ষা কমিশন ও মাধ্যমিকের জন্য আলাদা শিক্ষা কমিশন গঠন আবশ্যক

১৯৪৭ সালে অবিভক্ত ভারত বিভক্ত হয়। '৪৮ সাল থেকে ভারত নিজেদেরকে গুছানো শুরু করেছিল শিক্ষা কমিশন গঠনের মাধ্যমে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় বাংলাদেশে এখনো কুদরত-ই-কমিশন এর পর শিক্ষায় অবদান রাখতে পারার মত যদিও কয়েকটি এটেম্পস নেওয়া হয়েছিল কিন্তু বাস্তবে আলোর মুখ দেখে নি। 


তবে '৪৭ ও তৎপরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানসহ পুরো পাকিস্তানে চলছিল ধর্ম ও ভাষা নিয়ে দর কষাকষি। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৫০ এর দাঙ্গা ও '৫২ এর ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় পূর্ব পাকিস্তানের আর্থসামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ও শিক্ষায় সংস্কারের উদ্দেশ্যে '৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন হয় যার নেতৃত্বের মেন্ডেটই ছিল শিক্ষা বিষয়ক। 


১৯৫৯ সালে আইয়ুব খান তৎকালীন শিক্ষা সচীব এস এম শরীফকে চেয়ারম্যান করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠন করে। ঐ কমিশন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর লক্ষ্য ও স্বার্থের প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি গণবিরোধী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন। অগণতান্ত্রিক ও ছাত্র স্বার্থবিরোধী এ শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ তীব্র আন্দোলন ও সংগ্রাম গড়ে তোলে। ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬২ এ শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে মিছিল বের করলে হাইকোর্টের সামনে পুলিশ গুলি চালায়। নিহত হন বাবুল, মোস্তফা, ওয়াজীউল্লাহসহ অনেকে। 

সেই থেকে প্রতিবছর ১৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন এ দিনটিকে মহান "শিক্ষা দিবস" হিসেবে পালন করে।


#শিক্ষা #দেশ #উন্নয়ন #একই #সূত্রে #গাঁথা

মন্তব্য করুন

ব্লগ