সহকারী শিক্ষক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০২:৫২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
অভিনন্দন -
শুভ জন্মদিন
প্রাবন্ধিক রাষ্ট্র চিন্তাবিদ
আবুল কাসেম ফজলুল হক
----------------------------------------------------
আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলাদেশের প্রখ্যাত একজন প্রাবন্ধিক, গবেষক, ইতিহাসবেত্তা, অনুবাদক, সমাজবিশ্লেষক, সাহিত্য সমালোচক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ।
তিনি 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটি' এর আহ্বায়ক। নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চিন্তা ও তত্ত্বের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
জন্ম ১৯৪৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায়। পিতা মুহাম্মদ আবদুল হাকিম ও মাতা জাহানারা খাতুন।
তিনি ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা ও ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে তিনি স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে স্নাতকোত্তর পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘ চার দশক শিক্ষকতা করেছেন।
শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি মুনীর চৌধুরী, নীলিমা ইব্রাহিম, আহমদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদের সংস্পর্শে আসেন এবং নিজেকে প্রগতিশীল ভাবধারায় যুক্ত করেন।
সমাজসংস্কারের ধারায় ‘চার্বাক মতাবলম্বী লোকায়ত' নামক একটি মননশীল পত্রিকা ১৯৮২ সাল থেকে তিনি সম্পাদনা করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন অধ্যাপক এবং বাংলা বিভাগের সভাপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
একুশটিরও অধিক গ্রন্থের প্রণেতা ফজলুল হক নজরুল রচনাবলির সম্পাদনা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
পত্রপত্রিকায় তিনি নিয়মিত কলাম লিখে থাকেন। ২০০০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি 'স্বদেশ চিন্তা সংঘ' এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ সংগঠনটি ‘বাংলাদেশের মুক্তি ও উন্নতির কর্মনীতি আটাশ দফা’ ২০০৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রচার করে, যেটির রচয়িতা ছিলেন তিনি।
তিনি ‘মানুষ’ শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছিলেন।
গবেষক আবুল কাসেম ফজলুল হক দেশের শ্রমিক-কৃষক ও গরিব মেহনতি মধ্যবিত্ত সাধারণ জনগণের একজন বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রথম সারির রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তিত্ব।
তার দুই পুত্র-কন্যা। পুত্র ফয়সল আরেফিন দীপন, যিনি জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর দীপনকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। কন্যা সূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।
আবুল কাসেম ফজলুল হক রচিত গ্রন্থের মধ্যে ‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘উনিশ শতকের মধ্যশ্রেণি ও বাংলা সাহিত্য’, ‘নৈতিকতা: শ্রেয়নীতি ও দুর্নীতি’, ‘মানুষের স্বরূপ’, ‘রাষ্ট্রচিন্তায় বাংলাদেশ’, ‘রাজনীতি ও সংস্কৃতি: সম্ভাবনার নবদিগন্ত’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
ফেসবুক পরিবারের পক্ষে বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদের জন্য রইল শুভ কামনা আজকের দিনে।
৮
৮ মন্তব্য