Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৭:৪৩ অপরাহ্ণ

SQ3R:পড়া দ্রত শেখার সহজ উপায় !

আপনাকে যা করতে হবে তা হলো আপনার পড়ার সময়টাকে কয়েক ভাগ করে একেক ভাগে একেকটা পড়ার কাজ করতে হবে। কারণ মনোযোগ আর সময়কে সুন্দরভাবে কাজে লাগানোর পন্থা একই। এর জন্যে SQ3R পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

SQ3R- S মানে Survey, Q মানে Question এবং 3R- ১ম R হলো Read২য় R হলো Recite এবং ৩য় R হলো Revise. প্রত্যেকটার বিবরণই নিচে দেয়া হলো।

S= Survey-পড়তে বসার আগে যা পড়বেন তাতে  দ্রুত একবার চোখ বুলানোই সার্ভে। এক্ষেত্রে যে অধ্যায়টি পড়বেন তার শিরোনামউপশিরোনামছবিক্যাপশনগ্রাফডায়াগ্রামগুলোতে চোখ বোলান। সার্ভের মধ্য দিয়ে আপনি বুঝতে পারবেন কী পড়তে যাচ্ছেন।

Q= Question-চ্যাপ্টারের শিরোনামগুলোকে প্রশ্নে রূপান্তরিত করুন। কী কে কেন কীভাবে কখন অথবা তুলনা করপার্থক্য করবর্ণনা করতালিকা কর ইত্যাদি পরিভাষায়  প্রশ্ন করা যেতে পারে। যেমনবইয়ের শিরোনাম হলো উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান। প্রশ্নে রূপান্তরিত করলে এটি হবেউপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন অবসানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা কর। প্রশ্ন করার ফলে আপনি সচেতন হয়ে উঠবেন যেকী পড়তে যাচ্ছেন।

R= Read-আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর পাবার জন্যে এবার পড়া শুরু করুন। যেমনঅধ্যায়ের নাম-আমাদের শরীরের কথাউপশিরোনাম-রক্ত এবং SQ3R প্রশ্ন হলোরক্ত কীরক্তের উপাদানগুলো কী কীএদের কাজ কী?

বইয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর হিসেবে দেয়া আছে নিচের প্যারাগ্রাফটি :

রক্ত না থাকলে মানুষের পক্ষেবেঁচে থাকা সম্ভব হতো না। সে চেষ্টা হতো তেল ছাড়া গাড়ি চালানোর মতো। রক্তের কাজ হচ্ছে শরীরের সর্বত্র প্রয়োজনীয় বস্ত্ত সরবরাহ করা। সেইসঙ্গে অপ্রয়োজনীয় বস্ত্ত বের করে দেয়া। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে পাঁচ লিটারের মতো রক্ত থাকে। রক্তে দুরকম কণিকা থাকে : লোহিত কণিকা  শ্বেত কণিকা। বেশিরভাগ লোহিত কণিকা তৈরি হয় হাড়ের মজ্জায়। শ্বেতকণিকার ভূমিকা হচ্ছে শরীরকে রক্ষা করা। তারা জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে আর এন্টিবডি নামে রাসায়নিক বস্ত্ত সৃষ্টি করে যার কাজ হচ্ছে আততায়ী জীবাণু ধ্বংস করা। রক্তে প্রতি ঘন মিলিমিটারে ৪০ থেকে ৬০ লক্ষ লোহিতকণিকা থাকে। এরাই প্রয়োজনীয় অক্সিজেন বহন করে আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড অপসারণের ব্যবস্থা করে।

R= Recite-যা পড়েছেন সেগুলোকে জোরে জোরে আওড়ানোই রিসাইট। পড়া-নিজেকে শোনান। ঠিকমতো কি হচ্ছেনা হলে আবার পড়ুন। এতে মনে রাখা সহজ হবে।

R= Revise-এতক্ষণ যা পড়লেন তা বার বার ঝালাই করাই হলো রিভাইস। নিয়মিত বিরতিতে এই রিভিশন দিতে হবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ