ইন্সট্রাক্টর
০২ অক্টোবর, ২০২৪ ০৮:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কেমন হওয়া দরকার!
বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কেমন হওয়া দরকার!
একটি দেশের কর্মক্ষম মানুষের মাথাপিছু মোট আয় দ্বারা নির্ধারিত হয় সর্বমোট জনসংখ্যার গড় মাথাপিছু আয়। তাই যে দেশে যত বেশি কর্মক্ষম মানুষ থাকবে সে দেশের গড় মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ মার্কিন ডলার। কিন্তু আমাদেরকে উন্নত বিশ্বের কাতারে আসতে হলে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা হতে হবে ১৬০০০ মার্কিন ডলার। যে মানুষগুলোর হাত ধরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ চুডান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১জন। সংখ্যার ২৮ শতাংশ তরুণ যাদের সংখ্যা ৪ কোটি ৭৪ লাখ। অপর দিকে কর্মক্ষম মানুষগুলোর সংখ্যা বর্তমানে ৬২ শতাংশ যাদের বয়স ১৫ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে, সংখ্যায় যা ১০ কোটি ৫০ লাখ। আশার কথা হচ্ছে কর্মক্ষম জনসংখ্যা ২০২৫ সালে হবে ৬৫.১৫ শতাংশ। কিন্তু এই কর্মক্ষম মানুষগুলো কীভাবে ১৬০০০ মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবেন? পথ একটাই আমাদের এই বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। এখন প্রতিটি কর্মক্ষম মানুষের স্কিল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের কাজের পছন্দ ও কাজের চাহিদা আলাদা। তাই তাদের পছন্দ ও বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতাপূর্ণ কাজ শেখার সুযোগ করে দিতে হবে যেন কাজের মূল্যমান/ভ্যালু সাধারণ কাজের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুন বেশি হয়। তবেই মাথাপিছু আয় ২,৭৮৪ ডলার থেকে ১৬,০০০ ডলারে উন্নীত করা সম্ভব হবে। এছাড়া প্রযুক্তির আগ্রাসন ও অটোমেশনের বিশ্বায়নে টিকে থাকতে হলে আমাদেরকে প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতেই হবে। তাই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই।
এতবড় একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য আমরা কতটুকু প্রস্তুত?
বর্তমান বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতামূক শ্রমবাজারে নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের নজর দিতে হচ্ছে উন্নত বিশ্বে কোন কোন কাজ ও দক্ষতার চাহিদা বেশি। কারণ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমিটি) এর তথ্য মতে বাংলাদেশের ১ কোটি ৫৭ লক্ষ মানুষ প্রবাসে থাকে। কিন্তু আমাদের যে সকল শ্রমজীবী মানুষগুলো বিদেশে যাচ্ছেন তারা সকলে অদক্ষ ও আধা দক্ষ। যার ফলে দক্ষকর্মীদের তুলনায় তাঁরা ৫ থেকে ১০ গুণ কম বেতন পান। আমরা যদি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠাতে পারি তাহলে আমাদের রেমিটেন্স ১০ থেকে ১৫ গুণ বেড়ে যাবে। আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ বিদেশী টেকনিক্যাল এক্সপার্ট লোক জব করছেন সেখানে আমরা যদি উক্ত বিষয়গুলোতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের এক্সপার্ট হিসেবে তৈরি করতে পারি তাহলে দেশের অর্থ বাহিরে যাবে না আবার আমাদের দেশীয় কর্মসংস্থানেও স্কিল/দক্ষতার কারণে উৎপাদন বহুগুণ বেড়ে যাবে। কিন্তু সঠিক প্রচারের অভাবে কারিগরি শিক্ষার প্রতি মানুষের কিছু নেতিবাচক ধারণা ও কারিগরি কোর্স ও স্কিল সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় আমরা দক্ষতার উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়েছি। আমাদের এই সমস্যার উত্তোরণ ঘটাতে প্রয়োজন দক্ষতাভিত্তিক কর্মমূখী শিক্ষা এবং অবশ্যই সেই শিক্ষায় দেশ প্রেম, নৈতিকতা ও প্রয়োগিক যোগ্যতা থাকতে হবে। তাহলেই আমরা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবো এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো। এই কাজটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য বৈশ্বিক চাহিদা ভিত্তিক নতুন নতুন স্কিল কোর্স যুক্ত করে সকলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও National Skills Development Authority (NSDA) নিরসল ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে NSDA এর কার্যক্রম মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সরাসরি পরিচালিত হচ্ছে।
দক্ষতা/স্কিল কোর্স বাস্তবায়নে কত ধরণের প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি শিক্ষা ব্যাপক ও বিস্তৃত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও কারিগরি শিক্ষায় দুই ধরণের শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে। যথা- ১. আনুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা, ২. অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা।
১. আনুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা :
আনুষ্ঠানিক কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন হয়। যথা- ক. ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রি-ভোকেশনাল, খ. নবম-দ্বাদশ শ্রেণি (ভোকেশনাল/ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট) এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং, গ. বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং হতে উচ্চতর শিক্ষা পর্যন্ত।
বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান-২০১৫ অনুযায়ী (ব্যানবেইস, ২০১৬) সর্বমোট ১৫ ধরণের প্রতিষ্ঠান কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কার্যক্রমসমূহ পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- ১. পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ২. টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ৩. গ্লাস এন্ড সিরামিক ইনস্টিটিউট, ৪. গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, ৫. সার্ভে ইনস্টিটিউট, ৬. টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), ৭. টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, ৮. টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট (টিভিআই), ৯. এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ১০. মেরিন টেকনোলজি, ১১. এসএসসি ভোকেশনাল (স্বতন্ত্র), ১২. এইচএসসি ভোকেশনাল/বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (স্বতন্ত্র), ১৩. মেডিকেল টেকনোলজি, ১৪. এসএসসি/দাখিল ভোকেশনাল (সংযুক্ত), ১৫. এইচএসসি ভোকেশনাল/বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (সংযুক্ত)।
২. অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা :
জাতীয় দক্ষতা মান-১ (১ বছর মেয়াদি), জাতীয় দক্ষতা মান-২ (১ বছর মেয়াদি), জাতীয় দক্ষতা মান বেসিক (৩৬০ ঘন্টার/ ৩ মাস ও ৬ মাস মেয়াদি), সার্টিফিকেট ফুটওয়্যার মেকিং (১ বছর মেয়াদি), সার্টিফিকেট লেদার ট্যানিং (১ বছর মেয়াদি), সার্টিফিকেট সেক্রেটারিয়েল সায়েন্স (১ বছর মেয়াদি), ট্রেনিং বিজনেস টাইপিং (৬ মাস মেয়াদি) এবং সর্ট স্কিল কোর্স সমূহ চলমান রয়েছে।
বর্তমান সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চাহিদাভিত্তিক অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা:
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের NTVQF (National Training & Vocational Qualification Framework) বিভাগের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি-১১ এর আওতায় চাহিদাভিত্তিক, নমনীয় ও দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করার জন্য শিল্প ও প্রশিক্ষণ সমন্বয় বিভাগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এই বিভাগের কাজ হলো শিল্প খাতের চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন সেক্টরের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অকুপেশন/স্কিল কোর্স ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও সনদায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। এই বিভাগ কম্পিটেন্সি স্টান্ডার্ড প্রণয়ন, কম্পিটেন্সি বেজড লার্নিং মেটেরিয়ালস এবং অ্যাসেসমেন্ট টুলস প্রণয়ন করেন। সক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান ও অ্যাসেসমেন্ট (CBT&A) পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে RTO (Registered Training Organization) হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান ও নিবন্ধন, পূর্ব অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি (Recognition of Prior Learning-RPL) পদ্ধতিতে সনদায়নের ব্যবস্থা করা বিভাগের অন্যতম কাজ। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো (Bangladesh National Qualification Framework-BNQF) এর আওতায় এই বিভাগ জাতীয় দক্ষতা সনদ (৬টি RPL লেভেল) প্রদান করেন। লেভেলগুলো হচ্ছে- ১. প্রি-ভোকেশনাল-১, ২. লেভেল-১, ৩. লেভেল-২, ৪. লেভেল-৩, ৫. লেভেল-৪ (লেভেল-৪ দুই ভাগে বিভক্ত যথা- ক. ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসেসর লেভেল-৪ এবং খ. শিক্ষক/প্রশিক্ষকদের পেডাগজি লেভেল-৪) ৬. লেভেল-৫ (মাস্টার ট্রেইনারদের জন্য)। এই প্রোগ্রামটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড (বিটিইবি) ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় হতে National Skills Development Authority (NSDA), https:www.skillsportal.gov.bd এর মাধ্যমে সরাসরি স্কিল কোর্সের লেভেলের জন্য প্রশিক্ষণ, অ্যাসেসমেন্ট ও সনদ প্রদান করেন। দক্ষতা ও সক্ষমতার দিক বিবেচনা করে বর্তমানে কারিগরি বোর্ডের RPL Level প্রদান কার্যক্রম সীমিত করে NSDA থেকে RPL Level এর প্রতি বেশি উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই বিভাগটির উদ্দেশ্য হচ্ছে যেকোন শ্রেণি, পেশা ও বয়সের মানুষ একটি নির্দিষ্ট কারিগরি দক্ষতা (স্কিল কোর্স) এর জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা এবং অ্যাসেসমেন্ট/মূল্যায়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করে সনদ প্রদান করা। যে ব্যক্তি এই সনদ অর্জন করতে সক্ষম হন তাকে তাঁর অর্জিত দক্ষতার বিষয়ে/স্কিলে শতভাগ দক্ষ বা Confident মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ তিনি উক্ত স্কিলের অধীনে থাকা সকল ব্যবহারিক কাজ দক্ষতার সাথে নিয়মানুসারে করতে সক্ষমতা অর্জন করেছেন। এর মূল কারণ অ্যাসেসমেন্ট চলাকালে একজন প্রশিক্ষণার্থীকে শতভাগ দক্ষতা হাতে-কলমে করে দেখাতে হয় এবং অ্যাসেসরগণ শতভাগ নিশ্চিত হয়ে confident ঘোষণা করেন। বর্তমানে কারিগরি বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে সকল সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণকে RPL Level আওতায় আনা হচ্ছে। RTO (Registered Training Organization) প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এর আওতায় রয়েছে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)। সারা দেশে টিটিসি রয়েছে ১০৪টি এবং ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি রয়েছে ০৬টি। এছাড়া সর্ট কোর্স প্রশিক্ষণ প্রদান করেন যুব উন্নয় অধিদপ্তর, মা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের অধীনে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সমাজ সেবা অধিদপ্তর, বস্ত্র অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট (টিভিআই), কিছু এনজিও এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সর্ট কোর্স প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এই কার্যক্রমটি ব্যপকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারলে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি হবে জ্যামিতিক হারে এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই কাজটির সফল বাস্তবায়ন করতে হলে টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদেরকে ট্রেড কোর্স/ স্প্রেশালাইজেশন বিষয়ে শতভাগ দক্ষতা প্রদান প্রক্রিয়ায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। উক্ত বিষয়ের বিষয় শিক্ষক (সরকারি ও বেসরকারি) সকলকে নূন্যতম অ্যাসেসর লেভেল-৪ প্রদান করে অ্যাসেসমেন্ট করতে পারার সক্ষমতা প্রদান করতে হবে। কারণ শিক্ষক দক্ষ হলে এবং শিখন-শেখানোর কার্যক্রমের কারিকুলাম ও সিলেবাস তৈরিতে বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার ধারাবাহিক গাইড লাইন প্রদান করতে পারলে এই কাজটি সহজ হয়ে যাবে অনায়াসে। যেহেতু বিষয়টি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে তাই কাজটি সফল বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের NSDA বিভাগ সমন্বিতভাবে পরিকল্লনা করে একযোগে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সকল কার্যক্রম মাউশির ন্যায় অনলাইন বেইজড করে গড়ে তুলতে হবে। কাজটি সফল ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশের সকল কর্মক্ষম মানুষ দ্রুত সুফল পাবেন। বাংলাদেশ হবে অর্থনীতি সমৃদ্ধ উন্নত দেশ।
ইঞ্জিনিয়ার পলাশ কান্তি মজুমদার
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল), এমএসসি (সিএসই), এমএড
ইনস্ট্রাক্টর, চাঁদপুর জনতা হাই স্কুল এন্ড কলেজ
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা।
টিউটর, বিএড প্রোগ্রাম (বাউবি), গবেষক ও লেখক
জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ ও ২০১৯)
মোবাইল: 01878-080572
ব্যক্তিগত মেইল: [email protected]
১৪
২১ মন্তব্য