Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ অক্টোবর, ২০২৪ ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

❝আলিয়া মাদরাসা শিক্ষার ভবিষ্যৎ;ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এখনই❞:


শিরোনাম:❝আলিয়া মাদরাসা শিক্ষার ভবিষ্যৎ;ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এখনই❞:


বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আলিয়া মাদরাসাগুলো যুগোপযোগী মানব সম্পদ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আলিয়া মাদরাসায় পরে একজন শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ নানা পেশায় যুক্ত হতে পারেন।তবুও এই শিক্ষাব্যবস্থায় জেনারেল শিক্ষাব্যবস্থার চাইতে বেশ কিছু বৈষম্য  থাকার কারণে দিন দিন প্রতিষ্ঠানে ছাত্র - ছাত্রীর  সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এই কমে যাওয়ার জন্য অনেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো পর্যাপ্ত  স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা না থাকা। যা আছে সেগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সুযোগ- সুবিধা পাচ্ছে না। এবং সংযুক্ত ইবতেদায়ী মাদরাসায়" ইবতেদায়ী স্তরে" মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে না পারা এবং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো উপবৃত্তি, ফিডিং, শিক্ষকদের মানসম্মত  বেতনভাতার না থাকাকে দায়ী করেছেন।


১.স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা:


বাংলাদেশে ১০০ জন প্রাক-শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জন পায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।১২ জন পায় কাওমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর ৮ জন পায় আলিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।যার ফলে আলিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিন দিন শিক্ষার্থী  কমে যাচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বেশি শিক্ষার্থী পাওয়ার মূল কারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।এই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাওয়ার হাউজ হিসেবে কাজ করে।যার ফলে তাদেরকে শিক্ষার্থী পাওয়া নিতে কোন চিন্তা- ভাবনা করতে হয়না।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলো চালু থাকলে আলিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী পেতে এতো বেগ পেতে হতোনা।এটা আলিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কারখানা হিসেবে কাজ করতো।কিন্তু দুঃখের বিষয় সরকারের অবহেলার দৃষ্টি থাকায়  স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা চালু হলেও দিন দিন অবহেলার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় বিলুপ্ত ও বন্ধের দ্বারপ্রান্তে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড যদি এই বিষয়ে দ্রুত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন তাহলে আলিয়া মাদরাসাগুলো শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।যা পরবর্তীতে স্কুল ও কলেজ বা কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হওয়ার  সম্ভাবনা রয়েছে ।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২৫ইং  শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বছরের পহেলা দিন শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিবেন। অপরদিকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা ও সংযুক্ত ইবতেদায়ী মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বছরের নতুন বই তুলে দিতে অপারগতা প্রকাশ করবেন ।যার ফলে শিক্ষার্থীরা সময়মতো বই হাতে না পেয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে মনস্থ হবেন।তাই সকল দল-মত, ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ইসলাম ও মাদরাসা শিক্ষার ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে  আসার এখনই সময়।


২.মাদরাসা অধিদপ্তর :

 বাংলাদেশের সকল এমপিওভুক্ত মাদরাসা, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে।অনেক মনে করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নামে পৃথক পৃথক অধিদপ্তর করার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই বলে মনে করেন।মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর পৃথক হওয়ায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা উপবৃত্তি ও ফিডিং কর্মসূচি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রকল্প ও সুযোগ সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হবেন ইবতেদায়ী শাখা।তারা মনে করেন একটা অধিদপ্তরের মধ্যে মাদ্রাসা শাখা,কারিগরি শাখা থাকাই যথেষ্ট ।কারণ এখন যেহেতু মাদরাসা ও স্কুলের পাঠ্যবই (ধর্মীয় বিষয় বাদে) একই।এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা (বদলি,ইএফটি)

মাউশি চালু করলে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ভিন্ন হওয়ায় মাদরাসার শিক্ষকরা বঞ্চিত হন। অধিদপ্তর ভিন্ন ভিন্ন হলে কোন সিদ্ধান্ত নিতে ও চালু করতে সময় অনেক বেশি প্রয়োজন হয়।প্রয়োজন হয় আলাদা নিয়ম ও সফটওয়্যারের। এর ফলে তখন শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে কষ্ট হয়।যদি অনেকে মনে করেন আলাদা অধিদপ্তর করা হয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও স্বকীয়তা বজায় রাখার জন্য।

তাই অনেকেই আলাদা অধিদপ্তরের বিরোধীতা করেন।তারা মনে করেন একটা অধিদপ্তর হলেই ভালো হয়। এর সাথে মাদরাসার ধর্মীয় বিষয়গুলো প্রণয়নে জন্য ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বা একদল ইসলামিক স্কলার বা একদল আলেম গবেষককে  দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। জাতীয় পাঠ্য পুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন।

যাই হোক তবুও বর্তমান সময়ে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ সুনাগরিক গড়ে তোলতে সক্ষম আলিয়া মাদরাসা। 


√যেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারি:


১.আলিয়া মাদ্রাসা থেকে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করা। মাসের ১ তারিখে বেতন ছাড়া,বকেয়া বেতন প্রদান করা, অধ্যাপক হওয়ার ক্ষেত্রে অনুপাত প্রথা বাতিল করা, ইবতেদায়ী শিক্ষকদেরকে ১৩ গ্রেড প্রদান করা এবং সহকারী শিক্ষকদেরকে ৮ম গ্রেড প্রদান করা ইত্যাদি। 


২.যোগ্য আলেম এবং সুনাগরিক গড়ে তোলার  লক্ষ্যে, ইসলামি তাহযিব ও তমুদ্দুনের আলোকে, মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রেখে এবং  যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার লক্ষ্যে একদল ইসলামিক স্কলার দ্বারা ক্যারিকুলাম তৈরি করা। 


৩.আলিয়া মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা। জাতীয়করণ হলে আরবি ও ইসলামিক বিষয়ে দক্ষ্য ও যোগ্য  শিক্ষক পেতে  পিএসি[PSC]  আলিয়া মাদরাসার জন্য পৃথক শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা করা ।প্রিলির পর যাতে সাবজেক্টিভ বিষয়কে নিয়োগ পরীক্ষায়  প্রাধান্য দিবে।যাকে আমরা বিশেষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বা শিক্ষা ক্যাডার বলে থাকি।আর যদি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(মাদ্রাসা) জাতীয়করণ  করা সম্ভব না হয়। তাহলে অন্তত প্রত্যেকটি জেলা এবং  উপজেলায় একটি করে মাদরাসা সরকারি করা হোক।


৪.স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণ করা।


৫.স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার ন্যায় সংযুক্ত ইবতেদায়ী মাদরাসায়ও উপবৃত্তি চালু করা।


৬.ইবতেদায়ী স্তরে প্রাক-ইবতেদায়ী শাখা (নূরানি কিন্ডারগার্টেন)  চালু করা। 


৭.শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংযুক্ত ইবতেদায়ী মাদরাসাকে দাখিল, আলিম,ফাযিল ও কামিল স্তর  থেকে পৃথক করা।


৮.মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের  ইবতেদায়ী  শাখা শিক্ষার্থীদের প্রান্তিক যোগ্যতা নির্ধারন করা। এবং বিভিন্ন প্রজেক্ট চালু করা।


৯.ইবতেদায়ী স্তরে বিশুদ্ধ কুরআন শিক্ষার রোডম্যাপ তৈরি করা। 


১০.ইবতেদায়ী স্তরে শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা।


১১.ইবতেদায়ী ও দাখিল স্তরে সাবজেক্টের আধিক্য দূর করার লক্ষ্যে প্রাক-স্তরে আকাইদ ও ফিকহ বিষয়কে কুরআনের সাথে একীভূত করা,অথবা বাদ রেখে ধাপে ধাপে চালু করা। যেমন: ৫ম শ্রেণিতে গিয়ে আকাইদ পড়বে, কারণ তখন অযু ও সলাত পড়ার জন্য পবিত্রতা সম্পর্কে জানা দরকার।মানে বয়সের সাথে মিল রেখে বই প্রণয়ন করা।।তাই কুরআন বইটি আকাইদ ও ফিকহ এর সাথে মিল রেখে প্রণয়ন করা।


১২.দাখিল স্তরে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত  হাদিসের সাথে মিল রেখে আকাইদ ও ফিকহ একীভূত করে একটি বই প্রণয়ন করা।আর হাদিসের কিতাবগুলোও ফিকহ্ এর তারতিব অনুযায়ী  (সুনান)  সাজানো।

দাখিল নবম-দশমে গিয়ে শিক্ষার্থীরা আকাইদ ও ফিকহ, হাদিস আলাদাভাবে পড়বে অথবা অষ্টম শ্রেণিতে পড়বে ফিকাহ কিন্তু নবম শ্রেণিতে ও দশম শ্রেণিতে হাদিস। এইভাবে মিল রেখে ও অনার্স লেভেলের সিমেস্টার পদ্ধতির কোর্স বাদ দেওয়ার নীতি মানা যেতে পারে।যেমন ধরুন আপনি প্রথম সিমেস্টারে বাংলাদেশ স্টাডিজ কোর্স পড়ে পরীক্ষা দিয়েছে এরপর আর এই বিষয় প্রত্যকে সিমেস্টারে থাকবেনা।


১৩.ইবতেদায়ী ক্বারী ও সহকারী মৌলভী (ক্বারী) শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশোধন করে ইলমুল কিরাআত ওয়াত তাজবিদে ১ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সধারীদেরকে সুযোগ দেয়া। 


১৪.ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইলমুল কিরাআত ওয়াত তাজবিদে ১ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা।


১৫.মাদরাসায় পাঠদানে [ কুরআন, হাদিস,আরবি এবং ফিকহে]তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষা  উপকরণ ব্যবহার করা। 


১৬.অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে যোগ্যতায় বিএড /বিএমএড এবং এমএড বাধ্যতামূলক করা।


১৭.মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ সুপার ও সহকারী সুপার এনটিআরসি এর মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া।যাতে দুর্নীতি কমে এবং আরবি ও জেনারেল বিষয়ে জানা আলেম প্রতিষ্ঠান প্রধান হতে পারে।


১৮.প্রত্যেকটি বিভাগে একটি করে মাদরাসা টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট(পিটিআই এবং বিএমটিটিআই -এর ন্যায়) তৈরি করা।

 


১৯.ইবতেদায়ী শিক্ষক ও মৌলভী পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ফাযিল ও সমমনা করা এবং বেতন-ভাতা, গ্রেড পরিবর্তন করা।


২০.প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা বিশেষ করে আরবি ১ম পত্র ও ২য় পত্রে[মুখস্থ নির্ভরতা কমিয়ে ব্যবহারিক পদ্ধতি চালু করা]


২১.আরবি ভাষাকে যোগাযোগের  ভাষা হিসেবে  শিক্ষা দেওয়ার জন্য  বই প্রণয়ন করা।আরবি বইয়ের মূল উদ্দেশ্য হবে দ্বীন শিক্ষা দেয়া নয়,ভাষা শিক্ষা দেওয়া মূল উদ্দেশ্য এর সাথে শুধু নৈতিকতা শিখাবো।। এক্ষেত্রে দেশীয় রাইটারদের চাইতে অন-এ্যারাবিক শিক্ষার্থীদেরকে আরবি শিখানোর জন্য প্রণীত বিদেশি রাইটারদের মেথড ও লেখাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া।


২২.শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। 


২৩.প্রতিটি মাদরাসায় বিজ্ঞান বিভাগ ও কারিগরী শিক্ষা  চালু করা।


২৪. দাখিল পর্যায়ে কমার্স বিভাগ চালু করা। 


২৫.ফাযিল স্তরের মানবিক বিভাগের কোর্সের বিষয়ে পরিবর্তন আনা[ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে যুগোপযোগী কোর্স চালু করা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, ব্যবসা ও কারিগরী বিষয়কেঅগ্রাধিকার দেয়া  ]


২৬.ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ও মাস্টার্সে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়সহ অন্যান্য সাবজেক্ট চালু করে জেনারেলদেরকে সুযোগ দেয়া। 


২৭.নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ করা। 


২৮.জাতীয় শিক্ষানীতি -২০১০ এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে প্রত্যেকটি মাদরাসায় পৃথক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা।ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জানা।


২৯.ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশনজট মুক্ত করা। নকল মুক্ত পরীক্ষা গ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করা।এর সাথে সাথে  শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া। 


৩০.মাদ্রাসার আরবি ও ইসলামিয়াতের শিক্ষকদের আইসিটি সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা আবশ্যক।


৩১. মাদ্রাসা থেকে কিছু মেধাবী  শিক্ষার্থীদেরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তৈরি করা  ও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কিছু মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে বুয়েটের জন্য তৈরি করা।এর মূল উদ্দেশ্য হলো লিডারশীপ তৈরি করা  ও কেন্দ্রীয় পলিসি মেকার তৈরির জন্য।যেহেতু বাংলাদেশের সবকিছু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করে।তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম, মাদ্রাসা শিক্ষা ও মাদরাসার প্রতিনিধিত্ব করবে।


৩২.মাদ্রাসায় যোগ্য নারী না পাওয়ায় শিক্ষক নিয়োগে ৩০% নারী কোটা বাতিল করা।কারণ, নারী কোটার কারণে অনেক পদ শূন্য থাকে, বিশেষ করে আরবি বিষয় সমূহে নারী শিক্ষক পাওয়া যায় না বললেই চলে।


৩৩.সকল আলিয়া মাদরাসা একটা ডায়নামিক ওয়েবসাইট থাকা।


৩৪.ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার করা এবং জব ফ্যাসেলেটিস তৈরি করা এবং শিক্ষার্থীদেরকে তা জানানো।


৩৫.আলিয়া মাদ্রাসা মূল বই পড়ানো এবং ভাষা (আরবি ও ইংরেজি)কোর্স চালু করা।


৩৬.মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদেরকে সাংবাদিকতা পেশায় নিযুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করা। 


লেখক :

আব্দুর রহিম 


সাবেক শিক্ষার্থী 


আরবি বিভাগ 


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

শিক্ষক 

সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডি. ডি. এফ. আলিম মাদরাসা, বরিশাল। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ