Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ অক্টোবর, ২০২৪ ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

আমলকি চায়ের এত গুণ!---------

আমলকির গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। ভিটামিন সি তে ভরপুর ফলটির রয়েছে নানান স্বাস্থ্য উপকারিতা। রোগ বালাইকে দূরে রেখে শরীরকে সুস্থ রাখতে এর যেমন জুড়ি মেলা ভার, তেমনি চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। 

টক স্বাদের এই ফলটি কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি রস কিংবা চা বানিয়েও খাওয়া যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী আমলকির চা। হার্ট ভালো রাখার পাশাপাশি আমলকির চা স্বাস্থ্যের অনেক উপকার করে।

আমলকির চায়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

হার্ট সুস্থ রাখে

আমলকি রক্ত​সঞ্চালন এবং কোলেস্টেরলের লেভেল ঠিক রাখে, যা হৃদরোগ এড়াতে সহায়তা করে। এই ফল দিয়ে তৈরি চা রক্ত​জমাট বাঁধতে দেয় না, ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

ফাঙ্গাল এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে

আমলকি ফাঙ্গাল ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করার শক্তি রাখে। এর চা আমাদের দেহে উপস্থিত টক্সিনগুলো বের করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী আমলকির চা। এতে থাকা উপাদানগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত আমলকি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ক্রোমিয়ামের একটি দুর্দান্ত উত্‍স হল আমলকি। এটি ব্লাড প্রেসার এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি

এই চা পান করলে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এটি ভাইরাল ফিভারের ক্ষেত্রেও উপকারী।

চোখের জন্য উপকারী

আমলকির চা চোখের ছানি, বর্ণান্ধতা, ড্রাই আই সিন্ড্রোম বা যারা চোখে কম দেখে তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও এর ফলে বর্ষায় অ্যালার্জি হওয়ার সমস্যা থাকে না।

আমলকির চা খাওয়ার পাশাপাশি এটি কাঁচা অবস্থায় লবণ দিয়ে খেতে পারবেন। এছাড়াও আমলকির রস, আমলকি চূর্ণ পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

আমলকির চা তৈরির পদ্ধতি
এই চা বানানোর জন্য, একটি প্যানে এক বা দুই কাপ পানি দিন। পানি ফুটতে শুরু করলে তাতে ১ চামচ আমলকি চূর্ণ এবং কুচি করা আদা দিন। এর সঙ্গে দুই তিনটা পুদিনার পাতাও দিতে পারেন। এই সব উপকরণ ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপরে নামিয়ে নিন। এবার এটি ছেঁকে নিয়ে চায়ের মতো পান করুন।

এসিএন/

মন্তব্য করুন

ব্লগ