সহকারী অধ্যাপক
০৩ অক্টোবর, ২০২৪ ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ণ
তাকে বলা হল, ‘জান্নাতে প্রবেশ কর’। সে বলল, ‘হায়! আমার কওম যদি জানতে পারত’,… ‘আমার রব আমাকে কিসের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন’।
তাকে বলা হল, ‘জান্নাতে প্রবেশ কর’। সে বলল, ‘হায়! আমার কওম যদি জানতে পারত’,… ‘আমার রব আমাকে কিসের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন’।
সূরাঃ ইয়াসীন আয়াতঃ২০-২৭ মাক্কী
২০ وَ جَآءَ مِنۡ اَقۡصَا الۡمَدِیۡنَۃِ رَجُلٌ یَّسۡعٰی قَالَ یٰقَوۡمِ اتَّبِعُوا الۡمُرۡسَلِیۡنَ
আর শহরের দূরপ্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি দৌড়ে এসে বলল, ‘হে আমার কওম! তোমরা রাসূলদের অনুসরণ কর। আল-বায়ান
নগর প্রান্ত থেকে এক লোক ছুটে আসলো। সে বলল- হে আমার জাতির লোকেরা! তোমরা রসূলদের মান্য কর। তাইসিরুল
নগরীর প্রান্ত হতে এক ব্যক্তি ছুটে এলো, সে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়! রাসূলদের অনুসরণ কর। মুজিবুর রহমান
And there came from the farthest end of the city a man, running. He said, "O my people, follow the messengers. Sahih International
২০. আর নগরীর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি ছুটে আসল, সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা রাসূলদের অনুসরণ কর;
তাফসীরে জাকারিয়া
(২০) নগরীর এক প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি ছুটে এল এবং বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! রসূলদের অনুসরণ কর, [1]
[1] ঐ ব্যক্তি মুসলিম ছিলেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে, এই সম্প্রদায় রসূলদের দাওয়াতকে মেনে নিচ্ছে না, তখন তিনি এসে রসূলদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং তাদেরকে তাঁদের অনুসরণ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন।
:২১ اتَّبِعُوۡا مَنۡ لَّا یَسۡـَٔلُكُمۡ اَجۡرًا وَّ هُمۡ مُّهۡتَدُوۡنَ
‘তোমরা তাদের অনুসরণ কর যারা তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চায় না আর তারা সৎপথপ্রাপ্ত’। আল-বায়ান
তোমরা মান্য কর এদেরকে- যারা তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চায় না। উপরন্তু তারা সঠিক পথে পরিচালিত। তাইসিরুল
অনুসরণ কর তাদের যারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায়না এবং তারা সৎ পথপ্রাপ্ত। মুজিবুর রহমান
Follow those who do not ask of you [any] payment, and they are [rightly] guided. Sahih International
২১. অনুসরণ করা তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চায় না(১) এবং যারা সৎপথপ্ৰাপ্ত।
(১) কাতাদাহ বলেন, সে ব্যক্তি যখন রাসূলদের কাছে এসে পৌঁছলেন তখন তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি তোমাদের এ কাজের বিনিময়ে কোন পারিশ্রমিক চাও? তারা বলল, না। তখন সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা রাসূলদের অনুসরণ কর। অনুসরণ করা তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চান না, আর তারা তো সৎপথপ্ৰাপ্ত। [তাবারী]
তাফসীরে জাকারিয়া
(২১) অনুসরণ কর তাদের যারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যারা সৎপথপ্রাপ্ত।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
:২২ وَ مَا لِیَ لَاۤ اَعۡبُدُ الَّذِیۡ فَطَرَنِیۡ وَ اِلَیۡهِ تُرۡجَعُوۡنَ
‘আর আমি কেন তাঁর ইবাদাত করব না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন? আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে’। আল-বায়ান
কেন আমি তাঁর ‘ইবাদাত করব না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে? তাইসিরুল
আমার কি যুক্তি আছে যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে আমি তাঁর ইবাদাত করবনা? মুজিবুর রহমান
And why should I not worship He who created me and to whom you will be returned? Sahih International
২২. আর আমার কি যুক্তি আছে যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর কাছে তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে, আমি তার ইবাদাত করব না?
তাফসীরে জাকারিয়া
(২২) যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে আমি তাঁর উপাসনা করব না কেন? [1]
[1] তিনি নিজের তওহীদবাদী হওয়ার কথা প্রকাশ করলেন, যাতে তাঁর উদ্দেশ্য নিজ সম্প্রদায়ের মঙ্গল কামনা ও তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেওয়া। এও হতে পারে যে, তাঁর সম্প্রদায় তাঁকে বলেছিল যে, তুমিও সেই উপাস্যের উপাসনা করছ, যার দিকে এই সকল রসূল আমাদেরকে আহবান করছে এবং তুমিও আমাদের উপাস্যকে বর্জন করে বসেছ? যার উত্তরে তিনি এ কথা বলেছিলেন। মুফাসসিরগণ তাঁর নাম হাবীব নাজ্জার বলেছেন। আর আল্লাহই অধিক জানেন।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
২৩ ءَاَتَّخِذُ مِنۡ دُوۡنِهٖۤ اٰلِهَۃً اِنۡ یُّرِدۡنِ الرَّحۡمٰنُ بِضُرٍّ لَّا تُغۡنِ عَنِّیۡ شَفَاعَتُهُمۡ شَیۡئًا وَّ لَا یُنۡقِذُوۡنِ
আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্য ইলাহ গ্রহণ করব? যদি পরম করুণাময় আমার কোন ক্ষতি করার ইচ্ছা করেন, তাহলে তাদের সুপারিশ আমার কোন কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে উদ্ধারও করতে পারবে না’। আল-বায়ান
আমি কি তাঁর পরিবর্তে (অন্য) সব ইলাহ্ গ্রহণ করব? করুণাময় আল্লাহ যদি আমার কোন ক্ষতি করতে চান তবে আমার জন্য তাদের সুপারিশ কোনই কাজে আসবে না, আর তারা আমাকে উদ্ধার করতেও পারবে না। তাইসিরুল
আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্য মা‘বূদ গ্রহণ করব? দয়াময় (আল্লাহ) আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাইলে তাদের সুপারিশ আমার কোন কাজে আসবেনা এবং তারা আমাকে উদ্ধারও করতে পারবেনা। মুজিবুর রহমান
Should I take other than Him [false] deities [while], if the Most Merciful intends for me some adversity, their intercession will not avail me at all, nor can they save me? Sahih International
২৩. আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্য ইলাহ গ্ৰহণ করব?(১) রহমান আমার কোন ক্ষতি করতে চাইলে তাদের সুপারিশ আমার কোন কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে উদ্ধার করতেও পারবে না।
(১) আল্লামা শানকীতী বলেন, এর অর্থ, আমি তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদের ইবাদাত কর তাদের ইবাদাত করব না। আমার আল্লাহ যদি আমার কোন ক্ষতির ইচ্ছা করেন, তবে এ মাবুদগুলো আমার কোন কাজে আসবে না। তারা আমার থেকে সে ক্ষতিকে প্রতিহত করতে পারবে না। আর আমাকে বিপদ থেকেও উদ্ধার করতে পারবে না। এ আয়াতে এ সমস্ত উপাস্যরা যে কোন উপকার করতে পারে না বলে বর্ণিত হয়েছে, তা অন্য আয়াতেও এসেছে। যেমন, “বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছি কি, আল্লাহ্ আমার অনিষ্ট করতে চাইলে তোমরা আল্লাহ্র পরিবর্তে যাদেরকে ডাক তারা কি সে অনিষ্ট দূর করতে পারবে? অথবা তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করতে চাইলে তারা কি সে অনুগ্রহকে রোধ করতে পারবে? বলুন, ‘আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট’ নির্ভরকারীগণ তাঁর উপরই নির্ভর করে।” [সূরা আয-যুমার: ৩৮] “বলুন, তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে ইলাহ মনে কর তাদেরকে ডাক, অতঃপর দেখবে যে, তোমাদের দুঃখ-দৈন্য দূর করার বা পরিবর্তন করার শক্তি তাদের নেই।” [সূরা আল-ইসরা: ৫৬]
তাফসীরে জাকারিয়া
(২৩) আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্য উপাস্য গ্রহণ করব? পরম দয়াময় আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাইলে ওদের সুপারিশ আমার কোন কাজে আসবে না এবং ওরা আমাকে উদ্ধার করতেও পারবে না।[1]
[1] এখানে সেই বাতিল উপাস্যদের অক্ষমতা ও অসহায়তার কথা প্রকাশ করা হয়েছে, যাদের উপাসনা তাঁর সম্প্রদায় করত এবং শিরকের সেই ভ্রষ্টতা থেকে নিস্তার দেওয়ার জন্য তাদের নিকট রসূল প্রেরণ করা হয়েছিল। ‘উদ্ধার করতেও পারবে না’ কথাটির অর্থ হল, যদি আল্লাহ আমার কোন ক্ষতি সাধন করতে চান, তবে এ (বাতিল উপাস্য)রা আমাকে রক্ষা করতে পারবে না।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
২৪ اِنِّیۡۤ اِذًا لَّفِیۡ ضَلٰلٍ مُّبِیۡنٍ
‘এরূপ করলে নিশ্চয় আমি স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত হব’। আল-বায়ান
তা যদি করি, তাহলে আমি স্পষ্ট পথভ্রষ্টতেই পতিত হব। তাইসিরুল
এরূপ করলে আমি অবশ্যই স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত হব। মুজিবুর রহমান
Indeed, I would then be in manifest error. Sahih International
২৪. এরূপ করলে অবশ্যই স্পষ্ট বিভ্ৰান্তিতে পড়ব।
তাফসীরে জাকারিয়া
(২৪) এরূপ করলে আমি অবশ্যই স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পড়ব। [1]
[1] অর্থাৎ, যদি আমিও তোমাদের মত এক আল্লাহকে ছেড়ে সেই ক্ষমতাহীন অসহায় উপাস্যদের উপাসনা শুরু করে দিই, তবে আমিও প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত হয়ে যাব। অথবা ضَلاَل (বিভ্রান্তি) শব্দটি এখানে خُسِرَان (ক্ষতি) অর্থে ব্যবহার হয়েছে। অর্থাৎ এটা তো একেবারে ক্ষতিকর বাণিজ্য হবে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
২৫ اِنِّیۡۤ اٰمَنۡتُ بِرَبِّكُمۡ فَاسۡمَعُوۡن
‘নিশ্চয় আমি তোমাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছি, অতএব তোমরা আমার কথা শোন’। আল-বায়ান
আমি তো তোমাদের পালনকর্তার উপর ঈমান এনেছি, কাজেই তোমরা আমার কথা শুন। তাইসিরুল
আমিতো তোমাদের রবের উপর ঈমান এনেছি, অতএব তোমরা আমার কথা শোন। মুজিবুর রহমান
Indeed, I have believed in your Lord, so listen to me." Sahih International
২৫. নিশ্চয় আমি তোমাদের রবের উপর ঈমান এনেছি, অতএব তোমরা আমার কথা শোন।
তাফসীরে জাকারিয়া
(২৫) আমি তো তোমাদের প্রতিপালকে বিশ্বাসী, অতএব তোমরা আমার কথা শোন। [1]
[1] তওহীদের দাওয়াত দেওয়া ও একত্বকে স্বীকার করার ফলে তাঁর জাতি তাঁকে হত্যা করতে চাইলে তিনি পয়গম্বরগণকে সম্বোধন করে বললেন (উদ্দেশ্য নিজের ঈমানের উপর সেই পয়গম্বরগণকে সাক্ষ্য রাখা) অথবা তাঁর জাতিকে সম্বোধন করে বললেন (যার উদ্দেশ্য সত্য দ্বীনের উপর শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকার কথা প্রকাশ ছিল), তোমরা যা ইচ্ছা করতে পার; কিন্তু ভালোভাবে শুনে নাও যে, আমার ঈমান সেই প্রতিপালকের উপরে আছে যিনি তোমাদেরও প্রতিপালক। বলা হয় যে, তারা তাঁকে মেরে ফেলেছিল এবং তাতে তাদেরকে কেউ বাধা দেয়নি। রাহিমাহুল্লাহ।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
:২৬ قِیۡلَ ادۡخُلِ الۡجَنَّۃَ ؕ قَالَ یٰلَیۡتَ قَوۡمِیۡ یَعۡلَمُوۡنَ
তাকে বলা হল, ‘জান্নাতে প্রবেশ কর’। সে বলল, ‘হায়! আমার কওম যদি জানতে পারত’, আল-বায়ান
(লোকেরা তাকে হত্যা করে ফেললে আল্লাহর পক্ষ থেকে) তাকে বলা হল- জান্নাতে প্রবেশ কর। (তখন) সে বলল- হায়! আমার জাতির লোকেরা যদি জানত, তাইসিরুল
তাকে বলা হলঃ জান্নাতে প্রবেশ কর। সে বলে উঠলঃ হায়! আমার সম্প্রদায় যদি জানতে পারত – মুজিবুর রহমান
It was said, "Enter Paradise." He said, "I wish my people could know Sahih International
২৬. তাকে বলা হল, জান্নাতে প্রবেশ কর।(১) সে বলে উঠল, হায়! আমার সম্প্রদায় যদি জানতে পারত—
(১) কুরআনের উপরোক্ত বাক্য থেকে এ দিকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, লোকটিকে শহীদ করে দেয়া হয়েছিল। কেননা, কেবল জান্নাতে প্ৰবেশ অথবা জান্নাতের বিষয়াদি দেখা মৃত্যুর পরই সম্ভবপর। [দেখুন: কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর] কাতাদাহ বলেন, এ লোকটি তার সম্প্রদায়কে আল্লাহর দিকে আহবান জানিয়েছে এবং তাদের জন্য উপদেশ ব্যক্ত করেছে, কিন্তু তারা তাকে হত্যা করেছে। [তাবারী]
তাফসীরে জাকারিয়া
(২৬) (তখন তারা তাকে হত্যা করল এবং তার মৃত্যুর পর) তাকে বলা হল, ‘তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর।’ সে বলে উঠল, ‘হায়! আমার সম্প্রদায় যদি জানতে পারত--
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
:২৭ بِمَا غَفَرَ لِیۡ رَبِّیۡ وَ جَعَلَنِیۡ مِنَ الۡمُكۡرَمِیۡنَ
‘আমার রব আমাকে কিসের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন’। আল-বায়ান
আমার পালনকর্তা কোন্ জিনিসের বদৌলতে আমাকে ক্ষমা করেছেন আর আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাইসিরুল
কি কারণে আমার রাব্ব আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং সম্মানিত করেছেন। মুজিবুর রহমান
Of how my Lord has forgiven me and placed me among the honored." Sahih International
২৭. কিরূপে আমার রব আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিত করেছেন।
তাফসীরে জাকারিয়া
(২৭) কি কারণে আমার প্রতিপালক আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিত লোকদের দলভুক্ত করেছেন।’[1]
[1] অর্থাৎ, যে ঈমান ও তওহীদের কারণে আল্লাহ তাআলা আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, যদি সে কথা আমার সম্প্রদায় জানত, তাহলে তারাও ঈমান ও তাওহীদে বিশ্বাসী হয়ে আল্লাহর ক্ষমা ও তাঁর বিভিন্ন অনুগ্রহের হকদার হয়ে যেত। এইভাবে সে ব্যক্তি মৃত্যুর পরেও নিজ জাতির মঙ্গল চেয়েছেন। একজন প্রকৃত মু’মিনকে এমনই হওয়া দরকার যে, সে সর্বদা মানুষের মঙ্গল কামনা করবে; অমঙ্গল নয়। তাদেরকে সঠিক পথ দেখাবে; পথভ্রষ্ট করবে না। তাতে মানুষ তার সাথে যেমনই ব্যবহার করুক না কেন; এমনকি যদিও তাকে মেরে ফেলে।
১৩
১৮ মন্তব্য