সিনিয়র শিক্ষক
০৩ অক্টোবর, ২০২৪ ০১:১৮ অপরাহ্ণ
আইনের শ্রদ্বা, এমন মানুষই দরকার।
সজীব ওয়াজেদ জয়কে ‘অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র’ মামলায় প্রথিতযশা সাংবাদিক শফিক রেহমানের পরোয়ানা প্রত্যাহার বা সাঁজা স্থগিতের সুপারিশ করে আইন মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে জনাব শফিক রেহমান আইনমন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করেছিলেন।
কিন্তু জনাব মাহমুদুর রহমান আইনমন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেননি। তিনি সরাসরি কোর্টে আত্মসমর্পণ করেছেন। এবং তিনি বা তার আইনজীবী কোর্টে জামিনও চান নি, কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছেন। কারণ নিন্ম আদালত এই সাজা হওয়ার কোন মামলায় সরাসরি জামিন দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না। তবে আইনমন্ত্রণালায়ের সুপারিশ থাকলে আপিলের শর্তে সাজা স্থগিত করা যায়। আর সে জন্য তো জনাব শফিক রেহমানের মত আবেদন করতে হবে, আইন মানতে হবে?
আসিফ নজরুল স্যার স্পষ্টভাবে বলেছেন, জনাব মাহমুদুর রহমান সাহেব তার 'দৃঢ়চেতা' চরিত্রের কারণে সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেন নাই। তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় বের হতে চাচ্ছেন।
আর সর্বশেষ বলে রাখি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের জন্য ইতোমধ্যে তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ১৫ বছরের মামলা যাচাই-বাছাইয়েও তো সময় লাগবে, তাইনা?
গত ১৫ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে একজন শিক্ষককে আমরা সব রাজপথে মানুষের পাশে পেয়েছি, তিনি Dr. Asif Nazrul স্যার।
২০১৮ ও ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাকে পাশে পেয়েছি তিনি আসিফ নজরুল স্যার।
তাকে বিতর্কিত করার আগে আইন নিয়মনীতি বোঝার চেষ্টা করুন। নাকি আপনি রাষ্ট্র সংস্কার না করে জবরদস্তিমূলক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কাহীন রাষ্ট্র গড়তে চাচ্ছেন, যেখানে গায়ের জোরে সব করা যাবে?
জানতে পেলাম একটু আগেই জনাব মাহমুদুর রহমান জামিন পেয়েছেন। আপনাদের কি মনে হয় আসিফ নজরুল স্যার এক্ষেত্রে আন্তরিকতা দেখান নি?
১৩
১৯ মন্তব্য