Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৪ ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ

বাংলা ভাষায় বানান শুদ্ধিকরণ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের রয়েছে হাজার বছরেরও বেশি দিনের গৌরবময় ইতিহাস; অথচ বাংলা বানানের ইতিহাস এখনো দুইশ বছরও হয়নি। উনিশ শতকের পূর্বে বাংলা বানানের নিয়ম বলতে তেমন কিছু ছিল না। উনিশ শতকের শুরুর দিকে যখন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূত্রপাত ঘটে এবং ঐ সাহিত্যের বাহন হিসেবে সাহিত্যিক গদ্যের উন্মেষ হয়, তখন বাংলা বানানের একটি নিয়ম নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই বানানের নিয়ম সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে রচনা করা হয়েছিল।


১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরোধে কয়েকজন মনীষীকে নিয়ে 'কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বানান সংস্কার সমিতি' গঠিত হয়।

১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করে। কিন্তু এতে বাংলা বানানের সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ২১-২৩ অক্টোবর, ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও

পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের উদ্যোগে কুমিল্লায় 'সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার পটভূমিতে পাঠ্যপুস্তকে বাংলা বানানের সমতাবিষয়ক জাতীয় কর্মশিবির' অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশিবিরে গৃহীত সিদ্ধান্তের

আলোকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের অনুসৃত বাংলা বানানের নিয়মের আলোকে ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালে বাংলা

একাডেমি 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে। এটির পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে।পরবর্তীতে আবার ১৯৯৮ সালে পরিমার্জিত হয়ে ২০০০ সালে সংশোধিত রূপ প্রকাশিত হয়।

মন্তব্য করুন