Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৪ ০৯:৪১ পূর্বাহ্ণ

যারা বলে মাদ্রাসায় জাল সনদে কেউ চাকরি করে না:

যারা দাবি করেন  মাদ্রাসায় জাল সনদে কেউ চাকরি করে না তাদের জবাব:


★মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উচিত জাল সনদে  যারা  চাকরি করে। অতিদ্রুত  তাদের তালিকা প্রকাশ করা এবং জাল সনদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা। নাই বুঝবো মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ঘুমায়!


★মাদ্রাসা শিক্ষার যদি সত্যিকারে  উন্নয়ন চান। তাহলপ আগে এই সকল দুর্নীতিবাজ ও ঘটনাক্রমে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। কারণ এই সকল অসৎ লোকেরা অধিদপ্তরের কোনো নোটিশের ব্যবস্থা নেয় না।ফাঁকিবাজি করে। যেমন: একটা ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে কয়েক বার বলার পরেও তারা  করে নাই। কেউ কেউ নামে মাত্র করেছে! 


মাউশি গতকাল ২০২জন জাল সনদে চাকরি করে তাদের তালিকা প্রকাশ করেছেন(সূত্র দৈনিক শিক্ষা) ।এর আগে তারা বিভিন্ন সময় আরো অনেক জাল সনদে চাকরি করে তাদের তালিকা প্রকাশ করেছেন।জাতীয় পত্রিকা "সমকালে" ৬০ হাজার শিক্ষক জাল সনদে চাকরি করতেছেন সেরকম একটা নিউজ করেছেন।


এই সংবাদ দেখে অনেক মাদরাসার শিক্ষক নিজেদেরকে নিষ্পাপ ও বুজুর্গ দাবি করে বলেন মাদ্রাসায় কেউ জাল সনদে চাকরি করে না।জাল সনদে চাকরি সব স্কুল -কলেজে! 


মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠান প্রধানরা  কীভাবে এনটিআরসি এর মাধ্যমে  জাল সনদ যাচাই করে তাইতো জানেনা।তার প্রমাণ এনটিআরসি এর ওয়েবসাইটে গেলে আপনি পাবেন। দেখবেন সকল সনদ যাচাই এর আবেদন স্কুল -কলেজের ।অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধানতো ঠিকমতো  স্মার্ট ফোন  ব্যবহার করতে পারে না।তার সবকিছু করে দেয় অফিস সহায়ক বা কোনো কম্পিউটার দোকানধার। মাদ্রাসা পাসওয়ার্ডটা  কী সে বলতে পারবেন? অফিস সহায়ক বলতে গেলে একই সাথে সেই প্রতিষ্ঠানে  প্রধান এবং অফিস সহায়ক!  প্রতিষ্ঠান প্রধান শুধু স্বাক্ষর করে ; মাসে মোটা অংকের বেতন নেয়।


অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিজের  সনদইতো জাল। সে আবার অন্য শিক্ষকদের জাল সনদ যাচাই করবেন? এতো সাহস তার। 


বিশেষ করে বিগত ১৬-১৭ বছর মাদ্রাসায় অনেক শিক্ষক এনটিআরসির সনদ, অ্যাকাডেমিক সনদ, বিএড ,আইসিটি,কৃষি ইত্যাদি ডিপ্লোমার জাল সনদে চাকরি করতেছে।অ্যাকাডেমিক সনদ যাদের  তৃতীয় বিভাগ। তারা ৩য় বিভাগকে ২য় বিভাগে পরিণত করেন।


 তারা তিনটি কারণে সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন বলে আমি মনে করি :


১.যিনি জাল সনদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন। তার সনদই জাল।


২.সুপার ও অধ্যক্ষ কীভাবে সনদ যাচাই করে তাই জানে না।কিন্তু স্কুল -কলেজের প্রধানরা জানেন এবং তারা সচেতন। যারা এনটিআরসি এর মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশ পান তাদের সনদ যাচাই করে নিয়োগ পত্র দেন এবং চাকরি স্থায়ী করেন।


৩.মাদ্রাসার প্রধানরা খুবই দরদী কাউকে ঝামেলায় ফেলতে চান না।এবং অনেকেই তাদের আত্মীয় হন।



মন্তব্য করুন

ব্লগ