নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়বে।
৭) কৃতজ্ঞ থাকা :-
সারাদিন কি কি পেয়েছো তার একটা লিস্ট বানাও তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো। যা পাও নি তা নিয়ে কষ্ট পেও না, যতটুকু পেয়েছো তাতে খুশি থাকার চেষ্টা করো এতে করে মনের ভেতর ইতিবাচকতা জন্ম নেবে।
প্রিয়জনদের সঙ্গে বেশি করে সময় কাটাও :-
৮) প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটালে মন সুস্থ থাকে। নিজেকে ঘরবন্দি রাখলে হতাশা ও দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকবে ফলে মানসিক সমস্যার দেখা দিতে পারে। বন্ধুবান্ধব ,পরিবারের সাথে মন খুলে মেশো। একটু হাসি একটু আলিঙ্গন মনকে সুস্থ করে তুলতে দারুন উপযোগী।
৯) সক্রিয় থাকা :-
অলস হয়ে বসে থাকলে নানা দুশ্চিন্তা মাথায় ভিড় জমাতে থাকে। তাই সবসময় কাজের মধ্যে থাকো তাহলে মন এমনিতেই ভালো থাকবে।
১০) ক্ষমা করা : –
দীর্ঘদিন ধরে কারো প্রতি ক্ষোভ জমতে থাকলে মানসিক অসুস্থতার সূত্রপাত হতে পারে। তাই ক্ষমা করে দাও ক্ষমাই পারে মানসিক প্রশান্তি দান করতে। ক্ষমা করো সুস্থ থাকো।
এতক্ষন ধরে যে উপায়গুলো বলা হলো সেগুলো আমাদের হাতে রয়েছে যা অবলম্বন করে আমরা মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারি। । কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সমস্যা নিরাময় এর জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শারীরিক ক্ষতি ভালো হলেও মানসিক ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। আমাদের চারপাশে রোজ কিছু নৃশংস ঘটনা ঘটছে , যারা ভুক্তভোগী তাদের মধ্যে সাংঘাতিক মানসিক চাপ ,ভয় ,বিষন্নতা,হতাশাসহ নানা ধরণের মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমাদের উচিত তাদের পাশে থাকা ,তাদের হেয় চোখে না দেখে কিভাবে তারা পুরোপুরি সুস্থ জীবন পেতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
১৩
১৮ মন্তব্য