সহকারী শিক্ষক
০৪ অক্টোবর, ২০২৪ ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
‘কচু’ সম্পর্কে কিছু তথ্য
‘কচু’ সম্পর্কে কিছু তথ্য
কচু একধরনের কন্দ জাতীয় উদ্ভিদ। কচু মানুষের চাষকৃত প্রাচীন উদ্ভিদগুলোর মধ্যে একটি। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব এলাকায় কম বেশি কচু দেখতে পাওয়া যায়। রাস্তার পাশে, বাড়ির আনাচে কানাচে, বিভিন্ন পতিত জমিতে অনাদরে-অবহেলায় অনেক সময় কচু জন্মাতে দেখা যায়। কচু বহু জাতের হয়ে থাকে। কয়েকটি জাতের কচুর প্রচুর পরিচর্যা দরকার হয়।
কচুপাতা:
বনে জঙ্গলে যেসব কচু আপনা আপনি জন্মায় সেগুলকে সাধারণত বুনো কচু বলা হয়। এ ধরনের কচুর অনেকগুলো জাত মানুষের খাবারের উপযোগী নয়। খাবার উপযোগী জাতগুলোর অন্যতম হচ্ছে মুখীকচু, পানিকচু, পঞ্চমুখী কচু, পাইদনাইল, ওলকচু, দুধকচু, মানকচু, শোলাকচু ইত্যাদি। সবজি হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও সৌন্দর্যের কারণে কিছু কিছু প্রজাতির কচু টবে ও বাগানে চাষ করা হয়। এদের মধ্যে কতগুলোর রয়েছে বেশ বাহারী পাতা, আবার কতগুলোর রয়েছে অত্যন্ত সুন্দর ফুল।
কচুর উৎপত্তিঃ
অনুমান করা হয়, কচুর উৎপত্তি ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। প্রায় দু'হাজার বছর আগেও কচুর চাষ হত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্থলভূমি ও জলভুমি উভয়রূপ স্থানে কচু জন্মাতে পারে। তবে স্থলভাগে জন্মানো কচুর সংখ্যাই বেশি। কচুর বহু আয়ুর্বেদীয় গুণাগুণ আছে বলে দাবি করা হয়। প্রজাতিভেদে কচুর মূল, শিকড় বা লতি, পাতা ও ডাটা সবই মানুষের খাদ্য। কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় রাতকানা রোগ প্রতিরোধে এটি অত্যন্ত উপকারী।[
উৎপাদনঃ
নাইজেরিয়া বিশ্বের বৃহত্তম কচু উৎপাদনকারী দেশ। এই দেশটি প্রতি বছর প্রায় ৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন কচু উৎপাদন করে। বিশ্বব্যাপী কচুর গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৬.২ টন তবে এর ফলন অঞ্চল অনুসারে পরিবর্তিত হয়। এশিয়ায় গড় ফলন হেক্টর প্রতি প্রায় ১২.৬ টন।
১৪
২১ মন্তব্য