Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৪ ০৮:২৭ অপরাহ্ণ

তুলসি পাতার নানাবিধ ব্যবহার

যেকোনো বয়সের মানুষের সর্দি-কাশি ও ঠান্ডা দূর করার ক্ষেত্রে তুলসীপাতা দারুণ কার্যকর। শিশুদের দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদের সর্দি–কাশির ক্ষেত্রে আধা চা–চামচ মধুর সঙ্গে তুলসীপাতার রস মিশিয়ে খাওয়ালে কাশি কমে যাবে। বুকে কফ বসে গেলে সকালবেলায় এক গ্লাস পানিতে তুলসীপাতা, আদা ও চা–পাতা ভালো করে ফুটিয়ে তাতে মধু ও লেবু মিশিয়ে পান করলে আরাম পাওয়া যাবে। এ ছাড়া মাথাব্যথা কমাতে তুলসীর চা অনেক কার্যকর। গলাব্যথায় তুলসীপাতা ফুটিয়ে গড়গড়া করলেও আরাম পাওয়া যায়।মানসিক চাপমুক্ত থাকার ক্ষেত্রেও তুলসীপাতা বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তুলসীর অ্যান্টি–ইনফ্লেমেটরি ও অন্যান্য অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। উপাদানগুলো শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং নার্ভ শান্ত করে। তুলসী শরীরে কর্টিসলের মাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত উত্তেজনা ও মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়।বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে অ্যাজমা, ফুসফুসের সমস্যা, ব্রঙ্কাইটিসের মতো রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে তুলসীপাতায়। এ ছাড়া সিজনাল সর্দি–কাশি ও জ্বরে তুলসীপাতা খুব উপকারী। শীতকালে তুলসীপাতা ও এলাচ দিয়ে ফুটানো পানি নিয়মিত পান করলে খুব সহজে নানা রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আবার ক্ষতস্থানে তুলসীপাতা বেটে লাগালে তাড়াতড়ি ক্ষত শুকিয়ে যায়।জেনে বিস্মিত হবেন যে ক্যানসার প্রতিরোধে তুলসীপাতা উপকারী। তুলসীপাতায় রয়েছে রেডিওপ্রটেকটিভ উপাদান, যা টিউমারের কোষগুলো মেরে ফেলে। তুলসীপাতায় থাকা ফাইটোকেমিক্যাল যেমন রোসমারিনিক অ্যাসিড, মাইরেটিনাল, লিউটিউলিন এবং এপিজেনিন ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে খুবই কার্যকর। অগ্ন্যাশয়ে যে টিউমার কোষ দেখা দেয় তা দূর করতে তুলসী উপকারী। ব্রেস্ট ক্যানসার রোধ করতে তুলসীপাতা খুব কার্যকর।রূপচর্চার ক্ষেত্রে ও এই পাতার তুলনা নাই। মুখে এই পাতা বেটে ব্যবহার করলে স্কিন পরিষ্কার হয়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ