Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৪ ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৪

শিক্ষক দিবস শিক্ষক (Teacher’s Day)

বিশ্ব শিক্ষক দিবস কালঃ ২০২৪ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো: শিক্ষকের কন্ঠস্বর : শিক্ষায় একটি নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’ (Valuing Teachers voices :towards a new social contract of education . ) এবার সারা বিশ্বব্যাপি শিক্ষক দিবস পালন করা হচ্ছে ।

জাতীয় শিক্ষক দিবসঃ

২০০৩ সালে ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার নিয়ে তৎকালীন সরকার এ দিবসটি চালু করে। বর্তমানে জাতীয় শিক্ষক  দিবসের পরিবর্তে প্রতি বছরের ৫ অক্টোবর 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' পালিত হচ্ছে।

শিক্ষকমানে কীঃ    TEACHER-এর পূর্ণ রূপ হল “ প্রতিভাবান শিক্ষিত আরাধ্য মোহনীয় সহায়ক উৎসাহদায়ক দায়িত্বশীল ” শিক্ষক হলেন একজন ব্যক্তি যিনি একটি অনানুষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক পরিবেশে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নির্দেশনা প্রদান করেন। এইভাবে, তারা তাদের জীবনে মূল্য এবং দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করে তাদের ভবিষ্যত গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষক দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

শিক্ষকতা হচ্ছে মহান ও একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশা। এখনো সব পেশার মানুষ শিক্ষকদেরকেই বেশি ভক্তি ও শ্রদ্ধা করে। পৃথিবীতে যতগুলো পেশা রয়েছে- তার মধ্যে শিক্ষকতাকে সর্বোচ্চ  মর্যাদার চোখে দেখা হয়। পৃথিবীতে মা-বাবার পরের স্থান হচ্ছে শিক্ষকের। সমাজ ও দক্ষ মানবসম্পদ বির্নিমাণে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষক সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার কারিগর।

শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের মাঝে মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সৃষ্টি করে। যার ফলে একজন শিক্ষার্থী সুন্দর মানুষ হয়ে গড়ে ওঠে এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হয়- শ্রদ্ধাশীল হয়। শিক্ষকের এসব কৃতিত্বের স্বীকারোক্তির জন্য তাদের স্মরণ করতে ও কল্যাণ কামনার জন্য শিক্ষকের যে গুরুত্ব সেটা স্বীকার করার জন্য প্রতিবছর তাদের সম্মানার্থে বিশ্ব শিক্ষক দিবসপালিত হয়। প্রতিবছর সারা বিশ্বে ৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবস পালন করা হলেও ভারত বর্ষে পালন করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর ।

শিক্ষক দিবসের ইতিহাস : ১৯৪৪ সালে আমেরিকার মৈটে ওয়ারেট উডব্রিজ সর্বপ্রথম শিক্ষক দিবসের পক্ষে কথা বলেন। ১৯৪৬ সালে ইউনেস্কো শিক্ষকদের পেশাগত স্বাধীনতা,অধিকার এবং আর্থ-সামাজিক ও নৈতিক ভিত্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব শিক্ষক সনদ নামক একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করে।

বিশ^ শিক্ষক দিবস পালনের যৌতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে- ১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর ইউনেস্কোর উদ্যোগে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্ত : সরকার সম্মেলনে শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদা সংক্রান্ত বিশেষ সুপারিশ মালা গ্রহণ করা হয়।

১৯৬২ সালে ড.সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। প্রাক্তন এ রাষ্ট্রপতি জন্মদিন পালন করতে চেয়েছিলেন তাঁর বন্ধু-বান্ধব এবং কজন ছাত্র। জন্মদিনের কথা শুনে তিনি বলেন,‘আলাদা ভাবে তাঁর জন্মদিন পালন না করে দেশের সমস্ত শিক্ষকদের জন্য যদি পালন করা হয়- তাহলে তিনি গর্ববোধ করবেন।

১৯৬২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি বছর পালন করা হয় শিক্ষক দিবস।

১৮৮৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ডক্টর সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ। ১৯৫৩ সালে শিক্ষক প্রসঙ্গে কথা বলেন মার্কিং কংগ্রেস।

১৯৮০ সাল থেকে ৭ মার্চ সারা বিশ্বব্যাপি শিক্ষক দিবস পালন করা শুরু হয়। পরবর্তীকালে মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার শিক্ষক দিবস পালন করা শুরু হয়। সিঙ্গাপুরে সেপ্টেম্বরের প্রথম শুক্রবার পালন হয় শিক্ষক দিবস ।

১৯৯৩ সালে বিশ্বের ১৬৭ টি দেশের ২১০ টি জাতীয় সংগঠনের ৩ কোটি ২০ লাখ সদস্যদের প্রতিনিধিত্বকারী আন্তর্জাতিক শিক্ষক সংগঠনএডুকেশন ইন্টারন্যাশনালগঠিত হয় এ আন্তর্জাতিক সংগঠন ।

জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলো কর্তৃক প্রণীত দলিলটি যথাযথ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করার অর্থবহ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ক্রমাগত অনুরোধ ও আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর মহা-পরিচালক ড.ফ্রেডারিক এম মেয়রের যুগান্তকারী ঘোষণার মাধ্যমে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসপালনের শুভ সূচনা করা হয় ।

এছাড়া বিশ্বের ১শ টির বেশি দেশে শিক্ষক দিবস পালন করা হয় আলাদা আলাদা দিনে।

২০২৪ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো: শিক্ষকের কন্ঠস্বর : শিক্ষায় একটি নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’ (Valuing Teachers voices :towards a new social contract of education . ) এবার সারা বিশ্বব্যাপি শিক্ষক দিবস পালন করা হচ্ছে ।

 

শিক্ষক দিবস কেনঃ

শিক্ষক দিবস হলো শিক্ষকদের সম্মানার্থে পালিত একটি বিশেষ দিবস যা বাংলাদেশ এবং ভারতসহ পৃথিবীর বহু দেশে ভিন্ন ভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। এদিন শিক্ষকদেরকে তাদের নিজস্ব কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সম্মাননা দেয়া হয়। ভিন্ন ভিন্ন দিনে উদযাপিত হলেও অক্টোবর ৫ তারিখ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্ব শিক্ষক দিবস

শিক্ষক হলেন সমগ্র দেশের তথা জাতির মেরুদন্ড। একমাত্র শিক্ষকগণই তাদের জ্ঞানের আলো দিয়ে মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসে। তাই প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীদের কাছে শিক্ষক দিবস (Teacher’s Day) একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন হয়ে থাকে।

·         শিক্ষক দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ভারতবর্ষে প্রতি বছর ৫ ই সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজকের দিনে অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের সঙ্গে শিক্ষক দিবস পালন করা হয়ে থাকে। একটি শিশু জন্ম গ্রহণের পরবর্তী সময় থেকে এবং আমৃত্যু পর্যন্ত যে শিক্ষা অর্জন করে তা শিক্ষক ব্যতীত সম্ভবপর হয় না। তাছাড়া একজন আদর্শ মা হল শিশুর প্রাথমিক শিক্ষক।

তারপর শিশু যখন ধীরে ধীরে প্রথাগত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তখন মানুষরূপী ভগবান স্বরূপ শিক্ষকগণ শিশু শিক্ষার যাবতীয় দায়ভার গ্রহণ করে এবং শিশুকে সমাজের আদর্শ অনুযায়ী শিক্ষা প্রদান করার মধ্য দিয়ে তাকে উপযুক্ত মানুষ করে গড়ে তোলে।

শিক্ষক মহাশয় কেবলমাত্র পাঠ্য বিষয়ের জ্ঞান দান করেন না; বরং তাঁরা আমাদের জীবনের মূল বুনিয়াদ তৈরি করে থাকেন। তাই শিক্ষক হলেন আমাদের তথা শিক্ষার্থীদের বন্ধু, দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক (Friends, Philosopher and Guider), যিনি তাঁর সর্বশক্তি দিয়ে আমাদেরকে অন্ধকার কূপ থেকে আলোর পথে নিয়ে আসেন।

তাই আপনার প্রতিটি পরামর্শ, প্রতিটি শেখানো মূহূর্ত এবং জীবনদর্শন আমাদেরকে অনিশ্চিত জীবনকে একটি মূল্যবান সম্পদে পরিণত করে।

শিক্ষক হলেন জাতির মেরুদন্ড তথা সমাজ গঠনের মূল কারিগর। তাই কোনো শব্দবন্ধ দিয়ে শিক্ষকগণের ভূমিকা, দায়িত্ব ও কর্তব্যকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। শিক্ষকগণ সর্বদা একটি সহজ সরল শিশুকে সমাজ উপযোগী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যে ভূমিকা পালন করে তার ঋণ কখনো শোধ করার নয়।

তাই শিক্ষকদের চরণে শতকোটি প্রণাম জানিয়ে খুবই বলতে ইচ্ছে করে

গুরু ব্রহ্মা, গুরু বিষ্ণু, গুরু দেব মহেশ্বর
গুরু সাক্ষাৎ পরং ব্রহ্ম
তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ

ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ যখন স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন, তখন তাঁর গুণমুগ্ধ শিক্ষার্থীরা তাঁর জন্মদিন পালনের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। কিন্তু শিক্ষক সর্বদাই আদর্শ হন। তিনি তাঁর জন্মদিন পালনের পরিবর্তে তার শিক্ষার্থীদের সমগ্র শিক্ষক জাতির সম্মান প্রদর্শন করার জন্য শিক্ষক দিবস পালন করতে বলেন।

তাই আমরা সকলেই অবগত যে, আজ ৫ ই সেপ্টেম্বর ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ এর জন্মদিন উপলক্ষে আমাদের জীবনের সকল শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করার জন্য আমরা আজকের দিনে শিক্ষক দিবস (Teacher’s Day) পালনে উদ্বুদ্ধ হয়েছি।

শিক্ষক দিবস কেন পালন করা হয়ঃ

শিক্ষক হলেন আমাদের তথা সমগ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শক। শিক্ষক ছাড়া একজন শিক্ষার্থীদের জীবন সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ ও ব্যর্থ।
তাছাড়া শিক্ষক হলেন জাতির মেরুদন্ড এবং মানুষ গঠনের কারিগর। তাই শিক্ষকদের প্রতি অশেষ আনুগত্য ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য প্রতিবছর
ভিন্ন ভিন্ন দিনে উদযাপিত হলেও অক্টোবর ৫ তারিখ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্ব শিক্ষক দিবস

উপলক্ষে শিক্ষক দিবস পালন করা হয়ে থাকে।

দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ

একজন শিক্ষকের ভূমিকা সংস্কৃতির মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে।

শিক্ষকরা সাক্ষরতা এবং সংখ্যা, কারুশিল্প বা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, কলা, ধর্ম, নাগরিক বিজ্ঞান, সম্প্রদায়ের ভূমিকা বা জীবন দক্ষতার নির্দেশনা প্রদান করতে পারেন।

আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদানের কাজগুলির মধ্যে রয়েছে সম্মত পাঠ্যক্রম অনুসারে পাঠ প্রস্তুত করা, পাঠ প্রদান করা এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা।

একজন শিক্ষকের পেশাগত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরেও প্রসারিত হতে পারে। শ্রেণিকক্ষের বাইরে শিক্ষকরা মাঠ ভ্রমণে শিক্ষার্থীদের সাথে যেতে পারেন, স্টাডি হলের তত্ত্বাবধান করতে পারেন, স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করতে পারেন এবং পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপের জন্য সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে পারেন। ছাত্রদের ক্ষতি থেকে রক্ষা করার আইনগত দায়িত্বও রয়েছে,[] যেমন যেগুলি হয়রানি, যৌন হয়রানি,[] বর্ণবাদ বা অপব্যবহারের ফলে হতে পারে।[] কিছু শিক্ষাব্যবস্থায়, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলার জন্য দায়ী হতে পারে।

 

শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও গুণাবলীঃ

শিক্ষণ একটি অত্যন্ত জটিল কার্যকলাপ। এটি আংশিকভাবে কারণ শিক্ষা একটি সামাজিক অনুশীলন, যা একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে (সময়, স্থান, সংস্কৃতি, আর্থ-সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি) সঞ্চালিত হয় এবং সেই কারণে সেই নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটের মূল্যবোধ দ্বারা গঠিত হয়। শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত (বা প্রয়োজনীয়) যা প্রভাবিত করে তার মধ্যে রয়েছে ইতিহাস এবং ঐতিহ্য, শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, শেখার বিষয়ে গৃহীত তত্ত্ব ইত্যাদি।

পেশাগত সমস্যাসমূহঃ

শিক্ষকরা তাদের কাজের জন্য বিভিন্ন পেশাগত বিপদের সম্মুখীন হন, যার মধ্যে রয়েছে পেশাগত চাপ, যা নেতিবাচকভাবে শিক্ষকদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা এবং শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। সাংগঠনিক পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্ক, সহকর্মী শিক্ষক এবং প্রশাসনিক কর্মীদের আচরণ, কাজের পরিবেশ, প্রতিস্থাপনের প্রত্যাশা,দীর্ঘ সময় ধরে ভারী কাজের কারণে চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও শিক্ষকরা পেশাগত বার্নআউটের জন্য উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন। []

২০০০ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে যুক্তরাজ্যে ৪২% শিক্ষক পেশাগত চাপের সম্মুখীন হয়েছেন, যা গড় পেশার তুলনায় দ্বিগুণ। ২০১২ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে শিক্ষকরা অন্যান্য গড় কর্মীদের তুলনায় উদ্বেগবিষণ্নতা এবং মানসিক চাপ দ্বিগুণ হারে অনুভব করেন।[]

শিক্ষাদানের পেশাগত সমস্যা প্রশমিত করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। সাংগঠনিক হস্তক্ষেপ, যেমন শিক্ষকদের সময়সূচী পরিবর্তন, সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান, কাজের পরিবেশ পরিবর্তন, পদোন্নতি এবং বোনাস প্রদান শিক্ষকদের মধ্যে পেশাগত চাপ কমাতে সাহায্য করতে কার্যকর হতে পারে। চাপ-ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ এবং কাউন্সেলিং সহ ব্যক্তিগত-স্তরের হস্তক্ষেপসমূহ শিক্ষকদের মধ্যে পেশাগত চাপ দূর করতে ব্যবহৃত হয়।[

 

লেখকঃ

এ জে এম শরীফুর রহমান মজুমদার

সহকারি শিক্ষক

ঝলম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।

মনোহরগঞ্জ,কুমিল্লা।

 

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ