সিনিয়র শিক্ষক
০৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
প্রযুক্তি আর জ্ঞানের ছোঁয়ায় শিক্ষকের দিকনির্দেশনায়, দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আলোকিত হোক তারুণ্যের বাংলাদেশ।
এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবস-এর প্রতিপাদ্য হলো-
"Empowering educators for a sustainable future"
"টেকসই ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষকের ক্ষমতায়ন"
কিন্তু সত্যিকার অর্থে শিক্ষকদের কি কোন ক্ষমতা আছে। একেবারেই নেই।
নিয়োগ থেকে শুরু করে একেবারে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষকদের হয়রানির কোন শেষ নেই।
হয়রানির শুধুমাত্র একটি চিত্র তুলে ধরছি। যেমন- একজন শিক্ষক যদি নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে, সহকারী প্রধান শিক্ষক কিংবা প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান, তাহলে তাকে প্রথমে -
#যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ছিলেন সেখান থেকে আবেদন করে তার নাম ডিলিট করতে হবে।
এটি করতে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস(ক্ষেত্র বিশেষে এর থেকেও বেশি) লেগে যায়।
নামকর্তন হলে-
#তারপরে নতুন যোগদানকারী প্রতিষ্ঠানে আবার তাকে বেতনের জন্য আবেদন করতে হবে। সেটি করতে ছয় থেকে সাত মাস(ক্ষেত্রবিশেষে এর থেকেও বেশি) লেগে যায় । ১থেকে ২ বছরের মধ্যে নতুন প্রতিষ্ঠানে ওনার বেতন হবে ঠিকই কিন্তু- #মাঝখানের প্রায় এক থেকে দুই বছরের বেতন বকেয়া থেকে যাবে সেটি পেতে হলে পুনরায় আবেদন করে পেতে হবে।
প্রত্যেকটি আবেদনেই আমলাতান্ত্রিক ( আর্থিক লেনদেন ও নানা ধরনের কাগজপত্র সংযুক্ত করা সহ) জটিলতার শেষ নেই।
শুধু একটি হয়রানির প্রক্রিয়ার তুলে ধরলাম। এমনিভাবে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হয়রানির নানাবিধ চিত্র রয়েছে। এ সকল হয়রানি থেকে মুক্ত হওয়ার সহজ রাস্তা হল শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করা।
#আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আমার যে সকল সম্মানিত সহকর্মীবৃন্দ জাতীয়করণের উদ্দেশ্যে ঢাকায় অবস্থান করছেন, তাদের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা এবং অকুণ্ঠ সমর্থন রইল। আশা করি এবারের শিক্ষক দিবসে বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষকের মনের একান্ত বাসনা পূর্ণ হবে। এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
১৪
২১ মন্তব্য