সহকারী শিক্ষক
০৮ অক্টোবর, ২০২৪ ০৭:১১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন ও কিছু কথা
মিজানুর রহমান
শিক্ষাই শক্তি শিক্ষাই জাগরণ- শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি বা শ্রেণি সামনে এগুতে পারেনা। আমরা শিক্ষক আমাদের অনেক দায়িত্ব- শিশুরা আমাদের সন্তান, কাহারো ভাই, কাহারো বোন ইত্যাদি।একটি উন্নত জাতি গঠন করার জন্যে আমরা কিভাবে আমাদের দায়িত্ব পালন করবো, কিভাবে শিশুদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবো, কোথায় ,কখন , কিভাবে দৈনন্দিন পাঠদান চলবে? প্রশাসন কিভাবে হাটবে সেই বিষয়ে আপনার, আমার ও সকলের রোডম্যাপ নিয়ে কিছু চিত্র উপস্থস্পন জরুরি ।
একটি সুন্দর আগামীর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিরাপত্ত্বা বিধান জরুরী- আর এই জরুরী কাজ বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের এগিয়ে আশা একান্ত আবশ্যক ।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ছোয়া এবং এর রোডম্যাপ সাফল্যমন্ডিত করতে স্মার্ট আর্টের মাধ্যমে বিশ্লেষনঃ
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের শিরোনাম থেকে শিক্ষার অগ্রযাত্রা ; নৈতিক মূল্যবোধ থেকে শিক্ষকের কণ্ঠস্বর কিভাবে উচ্চারিত হবে! শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার কি হবে? সেই প্রেক্ষাপটে শিক্ষা প্রশাসন ও কিছু কথার আবৃতি প্রয়োজন । এজন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভাগীয় শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে “Children created beautiful Primary School world ” এর যাত্রা শুরু করতে হবে- যেটা হবে এক অপরুপ সংস্কার যা “ Local needs “ SDG- ( Sustainable Development Goals) এর লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়িত হবে এবং শিশুরা মাতৃভাষা ও Global Language- এর মাধ্যমে চারটি দক্ষতা – ( Listening, Speaking, Reading and Writing) -কে Proper Words, Phrases , sentences , sound and pronounciation কে (effective communication ) হিসেবে শ্রেণিতে ব্যবহার করতে সক্ষম হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষা হবে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি অনন্য ব্যবস্থা।
প্রাথমিক শিক্ষা ও কিছু কথার মাঝে যখন নৈশ প্রহরী, দপ্তরী, অফিস সহকারি, সহকারি শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের পথসভাটি নিয়মিত
চালু হবে তখনই একটি নিবিড় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ চলমান থাকবে এবং বাংলাদেশ পাবে একটি বৈষম্যহীন শিক্ষা প্রশাসন।।
১
১ মন্তব্য