সহকারী শিক্ষক
০৯ অক্টোবর, ২০২৪ ০৮:০৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্রত্নতাত্ত্বিকরা ১৯৮০ সালে জুডিয়ান মরুভূমির একটি গুহায় প্রাচীন এক বীজ খুজে পান। তার পর থেকেই বীজটি নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। কয়েক দশক পরে জেরুজালেমের লুই এল. বোরিক ন্যাচারাল মেডিসিন রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ড. সারাহ স্যালন, একটি গবেষণা দল গঠন করেছিলেন যারা বীজটি রোপণ করলে কী ঘটবে তা দেখবে।
বীজটি রোপণ করার পর গবেষকদের বিস্মিত করে পাঁচ সপ্তাহ পরে ওই বীজ থেকে ছোট্ট একটি অঙ্কুর বেরিয়ে আসে। সেই অঙ্কুরের একটি অংশ পরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন যে বীজটি ১ হাজার বছর পুরোনো ছিল।
বিজ্ঞানীদের মতে, এটি সম্ভবত কমিফোরা গনের উদ্ভিদ। যদিও এর সঠিক প্রজাতি এখনো অজানা এবং সম্ভবত বিলুপ্ত। ১০ ফুট উচ্চতার গাছটিতে এখনো ফুল বা ফল আসেনি বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
গবেষকদের মতে, সম্ভবত এটি বাইবেলে উল্লেখিত সেই শেবা গাছ যাকে রোগ নিরাময়কারী উদ্ভিদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হাইব্রিড কৌশল ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা ‘উলি ম্যামথ’ বা ‘ডোডো’ পাখির মতো বিলুপ্ত প্রজাতিগুলোকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। শেবা গাছটির পুনরুদ্ধার সেই বৃহত্তর প্রচেষ্টারই অংশ
১৩
১৮ মন্তব্য