সহকারী অধ্যাপক
১০ অক্টোবর, ২০২৪ ০৬:১১ পূর্বাহ্ণ
সৎ-অসৎনির্বিশেষে সকলের সাথে সদাচার।...
সৎ-অসৎনির্বিশেষে সকলের সাথে সদাচার।... নবী সা:-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে উম্মু সুলাইম! যে দুই মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা যায় তাদের দু’জনকেই (পিতা-মাতাকে) আল্লাহ বেহেশতে প্রবেশ করাবেন, তাদের প্রতি তার দয়ার কল্যাণে। আমি বললাম, দুইজন মারা গেলে?
আল-আদাবুল মুফরাদ ভদ্র আচার ব্যাবহার
পরিচ্ছেদঃ ৭২-
১২৯। মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হানাফিয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “সদ্ব্যহারের প্রতিদান সদ্ব্যবহার ভিন্ন আর কি হতে পারে”(৫৫ঃ ৬০) শীর্ষক আয়াত পুণ্যবান ও পাপাচারী সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আবু আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আবু উবায়েদ (রহঃ) বলেছেন, তা হলো সাধারণ নীতি (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)।
بَابُ الإِحْسَانِ إِلَى الْبَرِّ وَالْفَاجِرِ
حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ مُنْذِرٍ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَنَفِيَّةِ: (هَلْ جَزَاءُ الإِحْسَانِ إِلاَّ الإِحْسَانُ)، قَالَ: هِيَ مُسَجَّلَةٌ لِلْبَرِّ وَالْفَاجِرِ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৩- ইয়াতীমের লালন-পালনকারীর মর্যাদা।
১৩০। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিধবা ও গরীবজনদের জন্য চেষ্টা-সাধনাকারী ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদকারীর এবং যে ব্যক্তি দিনে রোযা রাখে ও রাতে (নফল) নামাযে লিপ্ত থাকে তার সমতুল্য (বুখারী, মুসলিম)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: السَّاعِي عَلَى الأَرْمَلَةِ وَالْمَسَاكِينِ كَالْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللهِ، وَكَالَّذِي يَصُومُ النَّهَارَ وَيَقُومُ اللَّيْلَ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৪- নিজের ইয়াতীম পোষ্যদের লালনকারীর মর্যাদা।
১৩১। আয়েশা (রাঃ) বলেন, এক স্ত্রীলোক তার দু’টি কন্যা সন্তানসহ আমার নিকট এসে কিছু প্রার্থনা করে। সে আমার কাছে একটি খেজুর ভিন্ন আর কিছুই পেলো না। আমি সেটি তাকে দান করলাম। সে তা তার কন্যাদ্বয়কে ভাগ করে দিলো। অতঃপর সে উঠে চলে গেলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে এসে প্রবেশ করলে আমি তাঁকে তা বললাম। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি এই কন্যাদের প্রতি সামান্য সদয় ব্যবহার করবে, তারা তার জন্য দোযখ থেকে অন্তরাল হবে (বুখারী, মুসলিম)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا لَهُ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ: جَاءَتْنِي امْرَأَةٌ مَعَهَا ابْنَتَانِ لَهَا، فَسَأَلَتْنِي فَلَمْ تَجِدْ عِنْدِي إِلاَّ تَمْرَةً وَاحِدَةً، فَأَعْطَيْتُهَا، فَقَسَمَتْهَا بَيْنَ ابْنَتَيْهَا، ثُمَّ قَامَتْ فَخَرَجَتْ، فَدَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَحَدَّثْتُهُ، فَقَالَ: مَنْ يَلِي مِنْ هَذِهِ الْبَنَاتِ شَيْئًا، فَأَحْسَنَ إِلَيْهِنَّ، كُنَّ لَهُ سِتْرًا مِنَ النَّارِ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৫- যে ব্যক্তি দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান লালন-পালন করে তার মর্যাদা।
১৩২। উম্মু সাঈদ (রহঃ) থেকে তার পিতা মুররা আল-ফিহরী (রাঃ)-র সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি এবং ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী বেহেশতে এই দুইটি মধ্যমা ও তর্জনী আঙ্গুলের মতো একত্রে থাকবো (তাবারানী)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا مِنْ أَبَوَيْهِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ صَفْوَانَ قَالَ: حَدَّثَتْنِي أُنَيْسَةُ، عَنْ أُمِّ سَعِيدٍ بِنْتِ مُرَّةَ الْفِهْرِيِّ، عَنْ أَبِيهَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ، أَوْ كَهَذِهِ مِنْ هَذِهِ. شَكَّ سُفْيَانُ فِي الْوُسْطَى وَالَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৫- যে ব্যক্তি দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান লালন-পালন করে তার মর্যাদা।
১৩৩। হাসান (রহঃ) বলেন, এক ইয়াতীম বালক ইবনে উমার (রাঃ)-এর আহার গ্রহণকালে নিয়মিত উপস্থিত হতো। এক দিন তিনি আহার নিয়ে ডাকলেন এবং ইয়াতীমকে খোঁজ করলেন, কিন্তু তাকে পাননি। তার আহার গ্রহণ শেষ হলে সে এসে উপস্থিত হলো। ইবনে উমার (রাঃ) খাদ্য নিয়ে ডাকলেন। তখন তাদের নিকট খাবার অবশিষ্ট ছিলো না। তার নিকট ছাতু ও মধু আনা হলো। তিনি বলেন, এটা গ্রহণ করো। আল্লাহর শপথ! তোমাকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে না। হাসান (রহঃ) এই হাদীস বর্ণনাকালে বলতেন, আল্লাহর শপথ! ইবনে উমার (রাঃ) আহার থাকতে তা লুকাননি।
بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا مِنْ أَبَوَيْهِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ يَتِيمًا كَانَ يَحْضُرُ طَعَامَ ابْنِ عُمَرَ، فَدَعَا بِطَعَامٍ ذَاتَ يَوْمٍ، فَطَلَبَ يَتِيمَهُ فَلَمْ يَجِدْهُ، فَجَاءَ بَعْدَ مَا فَرَغَ ابْنُ عُمَرَ، فَدَعَا لَهُ ابْنُ عُمَرَ بِطَعَامٍ، لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُمْ، فَجَاءَه بِسَوِيقٍ وَعَسَلٍ، فَقَالَ: دُونَكَ هَذَا، فَوَاللَّهِ مَا غُبِنْتَ يَقُولُ الْحَسَنُ: وَابْنُ عُمَرَ وَاللَّهِ مَا غُبِنَ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৫- যে ব্যক্তি দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান লালন-পালন করে তার মর্যাদা।
১৩৪। সাহল ইবনে সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি ও ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী কিয়ামতের দিন এভাবে একত্রে থাকবো। একথা বলে তিনি তার তর্জনী ও মধ্যমার প্রতি ইংগিত করেন (বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا مِنْ أَبَوَيْهِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: سَمِعْتُ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ هَكَذَا، وَقَالَ بِإِصْبَعَيْهِ السَّبَّابَةِ وَالْوُسْطَى.
পরিচ্ছেদঃ ৭৫- যে ব্যক্তি দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান লালন-পালন করে তার মর্যাদা।
১৩৫। আবু বাকর ইবনে হাফস (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) ইয়াতীমকে সঙ্গে না নিয়ে আহার করতেন না।
بَابُ فَضْلِ مَنْ يَعُولُ يَتِيمًا مِنْ أَبَوَيْهِ
حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ بْنُ خَالِدِ بْنِ وَرْدَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ حَفْصٍ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ كَانَ لاَ يَأْكُلُ طَعَامًا إِلاَّ وَعَلَى خِوَانِهِ يَتِيمٌ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৬- যে ঘরে ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করা হয় সেই ঘর সর্বোত্তম।
১৩৬। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের ঘরসমূহের মধ্যে সেই ঘর সর্বোত্তম, যেখানে কোন ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করা হয়। মুসলিমদের ঘরসমূহের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট সেই ঘর যেখানে কোন ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। আমি এবং ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী বেহেশতে এই দুইটির মতো একত্রে থাকবো। এই বলে তিনি তার দুই আঙ্গুলের দিকে ইংগিত করেন (ইবনে মাজাহ)।
بَابُ خَيْرُ بَيْتٍ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُحْسَنُ إِلَيْهِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَتَّابٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: خَيْرُ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُحْسَنُ إِلَيْهِ، وَشَرُّ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُسَاءُ إِلَيْهِ، أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ يُشِيرُ بِإِصْبَعَيْهِ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৭- ইয়াতীমের জন্য দয়ার্দ্র পিতৃতুল্য হও।
১৩৭। আবদুর রহমান ইবনে আবযা (রাঃ) বলেন, দাউদ (আবু দাউদ) বলেছেনঃ ইয়াতীমের জন্য দয়ার্দ্র পিতৃতুল্য হও এবং জেনে রাখো! তুমি যেরূপ বপন করবে সেইরূপ কর্তন করবে। প্রাচুর্যের পর দরিদ্রতা কতই না মন্দ! তার চাইতেও মন্দ হলো হেদায়াত লাভের পর পথভ্রষ্টতা। তুমি কোন সঙ্গীর সাথে ওয়াদা করলে তা অবশ্যই পূর্ণ করবে। নতুবা তাতে তোমার ও তার মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি হবে। এমন বন্ধু থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো, (বিপদে) যাকে স্মরণ করলে সে তোমাকে সাহায্য করবে না এবং তুমি তাকে ভুলে গেলে সে তোমাকে স্মরণ করবে না।
بَابُ كُنَّ لِلْيَتِيمِ كَالأَبِ الرَّحِيمِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبْزَى قَالَ: قَالَ دَاوُدُ: كُنَّ لِلْيَتِيمِ كَالأَبِ الرَّحِيمِ، وَاعْلَمْ أَنَّكَ كَمَا تَزْرَعُ كَذَلِكَ تَحْصُدُ، مَا أَقْبَحَ الْفَقْرَ بَعْدَ الْغِنَى، وَأَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ، أَوْ أَقْبَحُ مِنْ ذَلِكَ، الضَّلاَلَةُ بَعْدَ الْهُدَى، وَإِذَا وَعَدْتَ صَاحِبَكَ فَأَنْجِزْ لَهُ مَا وَعَدْتَهُ، فَإِنْ لاَ تَفْعَلْ يُورِثُ بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ، وَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ صَاحِبٍ إِنْ ذَكَرْتَ لَمْ يُعِنْكَ، وَإِنْ نَسِيتَ لَمْ يُذَكِّرْكَ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৭- ইয়াতীমের জন্য দয়ার্দ্র পিতৃতুল্য হও।
১৩৮। হাসান বসরী (রহঃ) বলেন, আমি এমন মুসলিমদের সাক্ষাত পেয়েছি, যাদের কেউ ভোরে উপনীত হয়ে তার পরিজনকে বলতেন, “হে আমার পরিবার, হে আমার পরিবার! তোমাদের ইয়াতীম, তোমাদের ইয়াতীম। হে আমার পরিবার, হে আমার পরিবার! তোমাদের দরিদ্রজন, তোমাদের দরিদ্রজন। হে আমার পরিবার, হে আমার পরিবার! তোমাদের প্রতিবেশী, তোমাদের প্রতিবেশী। তোমাদের সেই উৎকৃষ্টগণ (সাহাবীগণ) তো চলে গেলেন, আর তোমরা তো দিন দিন অধঃপতিত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, তুমি ইচ্ছা করলে দেখতে পাবে যে, পাপাচারী তিরিশ হাজার টাকার বিনিময়ে জাহান্নামের গভীরে প্রবেশ করছে। তার কি হলো! আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন। সে আল্লাহর কাছে তার প্রাপ্য অংশ একটি ছাগলের মূল্যে বিকিয়ে দিলো। তুমি ইচ্ছা করলে দেখতে পাবে যে, সে শয়তানের রাস্তার ইতর অনুসারী। সে নিজ বিবেকের উপদেশও গ্রহণ করে না এবং অন্যের উপদেশেও কর্ণপাত করে না।
بَابُ كُنَّ لِلْيَتِيمِ كَالأَبِ الرَّحِيمِ
نَجِيحٍ أَبُو عُمَارَةَ قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ: لَقَدْ عَهِدْتُ الْمُسْلِمِينَ، وَإِنَّ الرَّجُلَ مِنْهُمْ لَيُصْبِحُ فَيَقُولُ: يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَتِيمَكُمْ يَتِيمَكُمْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، مِسْكِينَكُمْ مِسْكِينَكُمْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، جَارَكُمْ جَارَكُمْ، وَأُسْرِعَ بِخِيَارِكُمْ وَأَنْتُمْ كُلَّ يَوْمٍ تَرْذُلُونَ. وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: وَإِذَا شِئْتَ رَأَيْتَهُ فَاسِقًا يَتَعَمَّقُ بِثَلاَثِينَ أَلْفًا إِلَى النَّارِ مَا لَهُ قَاتَلَهُ اللَّهُ؟ بَاعَ خَلاَقَهُ مِنَ اللهِ بِثَمَنِ عَنْزٍ، وَإِنْ شِئْتَ رَأَيْتَهُ مُضَيِّعًا مُرْبَدًّا فِي سَبِيلِ الشَّيْطَانِ، لاَ وَاعِظَ لَهُ مِنْ نَفْسِهِ وَلاَ مِنَ النَّاسِ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৭- ইয়াতীমের জন্য দয়ার্দ্র পিতৃতুল্য হও।
১৩৯। আসমা ইবনে উবায়েদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনে সীরীন (রহঃ)-কে বললাম, আমার কাছে এক ইয়াতীম আছে। তিনি বলেন, তুমি তার সাথে তোমার সন্তানের অনুরূপ ব্যবহার করো এবং তাকে প্রহার করো যে কারণে তুমি তোমার সন্তানকে প্রহার করে থাকো (তার সাথে তোমার সন্তানের অনুরূপ ব্যবহার করবে)।
بَابُ كُنَّ لِلْيَتِيمِ كَالأَبِ الرَّحِيمِ
حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلاَّمُ بْنُ أَبِي مُطِيعٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ سِيرِينَ: عِنْدِي يَتِيمٌ، قَالَ: اصْنَعْ بِهِ مَا تَصْنَعُ بِوَلَدِكَ، اضْرِبْهُ مَا تَضْرِبُ وَلَدَكَ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৮- সন্তানের কারণে যে নারী ধৈর্য ধারণ করেছে এবং পুনর্বিবাহ থেকে বিরত থেকেছে।
১৪০। আওফ ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি ও ঝলসানো (বিষন্ন) গালবিশিষ্ট নারী, যার স্বামী মারা গেছে, কিন্তু সে তার সন্তানের কারণে ধৈর্য ধারণ করেছে (পুনর্বিবাহ করেনি) জান্নাতে এই দুই (আঙ্গুল)-এর মত একত্রে বসবাস করবো (আবু দাউদ, মুসনাদ আবু ইয়ালা)।
بَابُ فَضْلِ الْمَرْأَةِ إِذَا تَصَبَّرَتْ عَلَى وَلَدِهَا وَلَمْ تَتَزَوَّجْ
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ نَهَّاسِ بْنِ قَهْمٍ، عَنْ شَدَّادٍ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: أَنَا وَامْرَأَةٌ سَفْعَاءُ الْخَدَّيْنِ، امْرَأَةٌ آمَتْ مِنْ زَوْجِهَا فَصَبَرْتَ عَلَى وَلَدِهَا، كَهَاتَيْنِ فِي الْجَنَّةِ.
পরিচ্ছেদঃ ৭৯- ইয়াতীমদের আদব-কায়দা শিক্ষাদান।
১৪১। শুমায়সা আতাকিয়া (রহঃ) বলেন, আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ইয়াতীমকে আদব-কায়দা শিক্ষা দানের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ইয়াতীমকে আমি অবশ্যই আদব-কায়দা শিখাতে প্রহার করি যাবত না সে সটান হয় (বাযযার)।
بَابُ أَدَبِ الْيَتِيمِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ شُمَيْسَةَ الْعَتَكِيَّةِ قَالَتْ: ذُكِرَ أَدَبُ الْيَتِيمِ عِنْدَ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، فَقَالَتْ: إِنِّي لأَضْرِبُ الْيَتِيمَ حَتَّى يَنْبَسِطَ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪২। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা যায় তাকে দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না, অবশ্য শপথ পূর্ণ করার জন্য (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لاَ يَمُوتُ لأَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلاَثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ، فَتَمَسَّهُ النَّارُ، إِلاَّ تَحِلَّةَ الْقَسَمِ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪৩। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা একটি শিশুসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এর জন্য দোয়া করুন। আমি ইতিমধ্যে তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি। তিনি বলেনঃ তুমি তো দোযখের মোকাবিলায় মযবুত প্রতিবন্ধক গড়ে তুলেছো (মুসলিম)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ طَلْقِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ امْرَأَةً أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِصَبِيٍّ فَقَالَتِ: ادْعُ لَهُ، فَقَدْ دَفَنْتُ ثَلاَثَةً، فَقَالَ: احْتَظَرْتِ بِحِظَارٍ شَدِيدٍ مِنَ النَّارِ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪৪। খালিদ আল-আবসী (রহঃ) বলেন, আমার একটি পুত্র সন্তান মারা গেলে আমি অত্যন্ত শোকাহত হলাম। আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা! আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন কিছু শুনেছেন যা দ্বারা আমরা আমাদের মৃতদের মৰ্মবেদনায় সান্তুনা লাভ করতে পারি? তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের ছোট শিশুরা বেহেশতের পতঙ্গ (মুসলিম, মুসনাদ আহমাদ)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا عَيَّاشٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ خَالِدٍ الْعَبْسِيِّ قَالَ: مَاتَ ابْنٌ لِي، فَوَجَدْتُ عَلَيْهِ وَجَدَا شَدِيدًا، فَقُلْتُ: يَا أَبَا هُرَيْرَةَ، مَا سَمِعْتَ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا تُسَخِّي بِهِ أَنْفُسَنَا عَنْ مَوْتَانَا؟ قَالَ: سَمِعْتُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: صِغَارُكُمْ دَعَامِيصُ الْجَنَّةِ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪৫। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যার তিনটি সন্তান মারা গেছে এবং সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণ করেছে, সে বেহেশতে যাবে। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আর দুটি সন্তান? তিনি বলেনঃ এবং দুটিও? আমি (মাহমূদ) জাবের (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহর শপথ! আমার তো মনে হয় আপনারা যদি এক সন্তানের কথাও বলতেন তবে তিনি তাই বলতেন। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমার ধারণাও তাই (আবু দাউদ)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا عَيَّاشٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: مَنْ مَاتَ لَهُ ثَلاَثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ فَاحْتَسَبَهُمْ دَخَلَ الْجَنَّةَ، قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللهِ، وَاثْنَانِ؟ قَالَ: وَاثْنَانِ، قُلْتُ لِجَابِرٍ: وَاللَّهِ، أَرَى لَوْ قُلْتُمْ وَاحِدٌ لَقَالَ. قَالَ: وَأَنَا أَظُنُّهُ وَاللَّهِ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪৬। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা একটি শিশুসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এর জন্য দোয়া করুন। আমি ইতিমধ্যে তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি। তিনি বলেনঃ তুমি তো দোযখের মোকাবিলায় মযবুত প্রতিবন্ধক গড়ে তুলেছো (মুসলিম)!
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ قَالَ: سَمِعْتُ طَلْقَ بْنَ مُعَاوِيَةَ، هُوَ جَدُّهُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ امْرَأَةً أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِصَبِيٍّ فَقَالَتِ: ادْعُ اللَّهَ لَهُ، فَقَدْ دَفَنْتُ ثَلاَثَةً، فَقَالَ: احْتَظَرْتِ بِحِظَارٍ شَدِيدٍ مِنَ النَّارِ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪৭। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আপনার মজলিসে আসতে পারি না। আপনি আমাদের জন্য একটি দিন নির্দিষ্ট করে দিন। সেদিন আমরা আপনার নিকট হাযির হবো। তিনি বলেনঃ অমুকের ঘরে তোমরা সমবেত হবে। তিনি প্রতিশ্রুত স্থানে তাদের নিকট এলেন। তিনি তাদেরকে যা বললেন তার মধ্যে এ কথাও ছিলোঃ তোমাদের মধ্যে যে নারীর তিনটি সন্তান মারা যায় এবং সে তাদের দ্বারা সওয়াবের আশা করে, সে জান্নাতে যাবে। এক মহিলা বলেন, আর দুটি? তিনি বলেনঃ দুটি সন্তানের মৃত্যু হলেও (বুখারী, মুসলিম)।
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّا لاَ نَقْدِرُ عَلَيْكَ فِي مَجْلِسِكَ، فَوَاعِدْنَا يَوْمًا نَأْتِكَ فِيهِ، فَقَالَ: مَوْعِدُكُنَّ بَيْتُ فُلاَنٍ، فَجَاءَهُنَّ لِذَلِكَ الْوَعْدِ، وَكَانَ فِيمَا حَدَّثَهُنَّ: مَا مِنْكُنَّ امْرَأَةٌ يَمُوتُ لَهَا ثَلاَثٌ مِنَ الْوَلَدِ، فَتَحْتَسِبَهُمْ، إِلاَّ دَخَلَتِ الْجَنَّةَ، فَقَالَتِ امْرَأَةٌ: أَوِ اثْنَانِ؟ قَالَ: أَوَِ اثْنَانِ كَانَ سُهَيْلٌ يَتَشَدَّدُ فِي الْحَدِيثِ وَيَحْفَظُ، وَلَمْ يَكُنْ أَحَدٌ يَقْدِرُ أَنْ يَكْتُبَ عِنْدَهُ.
পরিচ্ছেদঃ ৮০- যার সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা
১৪৮। উম্মু সুলাইম (রহঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে উম্মু সুলাইম! যে দুই মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা যায় তাদের দু’জনকেই (পিতা-মাতাকে) আল্লাহ বেহেশতে প্রবেশ করাবেন, তাদের প্রতি তার দয়ার কল্যাণে। আমি বললাম, দুইজন মারা গেলে?
بَابُ فَضْلِ مَنْ مَاتَ لَهُ الْوَلَدُ
حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ حَفْصٍ، وَمُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ عَامِرٍ الأَنْصَارِيُّ قَالَ: حَدَّثَتْنِي أُمُّ سُلَيْمٍ قَالَتْ: كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: يَا أُمَّ سُلَيْمٍ مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَمُوتُ لَهُمَا ثَلاَثَةُ أَوْلاَدٍ، إِلاَّ أَدْخَلَهُمَا اللَّهُ الْجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ إِيَّاهُمْ، قُلْتُ: وَاثْنَانِ؟ قَالَ: وَاثْنَانِ.
৪
৪ মন্তব্য