Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ অক্টোবর, ২০২৪ ০৩:০৮ অপরাহ্ণ

শিক্ষক - শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের  মানসিক স্বাস্থ্য:

 আপাতত দৃষ্টিতে মানসিক স্বাস্থ্য বলতে মনের সুস্থতা, ভালো মন্দ আবেগিক সব কিছুইকেই বুঝি।শিক্ষকের মানসিক স্বাস্থ্য এর প্রভাব যেমন পরে শিক্ষার্থীদের উপর ঠিক তেমনি ছাত্র- ছাত্রীদের ও এই প্রভাব পরে তাদের জীবন চরিতার্থে। এই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শিখন শিখানো কার্যক্রম কখনো সঠিক হতে পারে না। আর তখন ছাত্র- ছাত্রীদের উপর ও এর তেমন প্রভাব পরে না।

শিক্ষার ক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য হল আবেগিক, মনস্তাত্ত্বিক, এবং সামাজিক সুস্থতা সহ শিক্ষাগত কর্মক্ষমতার উপর যে প্রভাব ফেলে । মানসিক স্বাস্থ্য প্রায়ই একটি প্রাপ্তবয়স্ক সমস্যা হিসাবে দেখা হয়, কিন্তু বাস্তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় অর্ধেক কিশোর-কিশোরী মানসিক ব্যাধি দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং এর মধ্যে প্রায় 20% "গুরুতর" হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। শুধু বাহিরের দেশে নয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি আমাদের দেশেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। যা থেকে আমাদের অবশ্যই বের হতে হবে। তা না হলে যেমন ব্যহত হবে আমাদের শিখন শেখানো কার্যক্রম। ঠিক একই ভাবে পিছিয়ে পরবে আমাদের দেশ ও জাতি। 

 ১) মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা স্কুলে একাডেমিক এবং সামাজিক সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশাল সমস্যা তৈরি করতে পারে। 

২) বিশ্বব্যাপী শিক্ষা ব্যবস্থা এই বিষয়টিকে ভিন্নভাবে বিবেচনা করে, উভয়ই সরাসরি সরকারী নীতির মাধ্যমে এবং পরোক্ষভাবে মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার বিষয়ে সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে । 

৩) এই পাঠ্যক্রমগুলি মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাধিগুলিকে কার্যকরভাবে চিহ্নিত করতে এবং থেরাপি, ওষুধ বা উপশমের অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে এর চিকিত্সা করার জন্য রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা স্কুলগুলি দ্বারা অনেক বেশি সমর্থিত। স্কুলগুলো মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সম্পদের প্রচার করার চেষ্টা করে।

৪) স্কুলগুলি এই ছাত্রদের হস্তক্ষেপ, সহায়তা গোষ্ঠী এবং থেরাপির মাধ্যমে সাহায্য করতে পারে। এই সম্পদ মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। 

৫) স্কুলগুলি মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ভিত্তি করে বাধ্যতামূলক ক্লাস তৈরি করতে পারে যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাধিগুলির লক্ষণ দেখতে সাহায্য করতে পারে। 

৬) বিশেষ করে কাউন্সিলিং একটা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। সেই ক্ষেত্রে শিক্ষক ও ছাত্রের সম্পর্ক হতে হবে সহযোগিতামূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ। 

৭) শিক্ষক এর মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার্থে আমাদের অবশ্যই কাউন্সিলিং করতে হবে। সেই সাথে আমাদের সহকর্মীদের হতে হবে সহমর্মী। 

৮) বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের অনেক শিক্ষক পরিবার ছেড়ে অনেক দূরে চাকরি করেন। সেই ক্ষেত্রে সরকার একটা বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে যাতে শিক্ষকরা তার বাড়ির কাছাকাছি পরিবারের সাথে বসবাস করে চাকরি করতে পারেন। এতে করে শিক্ষক এর মানসিক স্বাস্থ্য অনেকটা ভালো থাকার সম্ভাবনা আছে।

৯) সেই সাথে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তার সহ কর্মীদের প্রতি একটু সদয় দৃষ্টি ভংগী রাখাটাও বাঞ্চনীয়। 

১০) শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার্থে দেশের প্রত্যেকেই সামাজিক, পারিবারিক, সাংগঠনিক, প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে এগিয়ে আসতে হবে।। যাতে আমরা আমাদের শিখন শিখানো কার্যক্রম সঠিক ভাবে সফলতার সাথে সম্পূর্ণ করতে পারি। 

মন্তব্য করুন