Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ অক্টোবর, ২০২৪ ০৩:১৩ অপরাহ্ণ

সাঁতার শেখার প্রয়োজনীয়তা

কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে পানিতে শরীর ভাসিয়ে চলাচল করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় সাঁতার। সাঁতার একধরনের শারীরিক ব্যায়াম।


নিয়মিত সাঁতার কাটলে একজন ব্যক্তির ফুসফুস ও হূদ্যন্ত্রের কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে যায় এবং গবেষণায় দেখা গেছে যে, একজন সাঁতারুর মৃত্যুর আশঙ্কা কর্মহীন ব্যক্তির অর্ধেক। প্রায় প্রতিদিনই খবরের শিরোনামে দেখা যায় পানিতে ডুবে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা। পৃথিবীর চার ভাগের তিন ভাগ পানি আর এক ভাগ স্থল। বাংলাদেশেও রয়েছে নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর-ডোবাসহ অসংখ্য জলাভূমি। অন্যান্য সময়ের তুলনায় বর্ষাকালে পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পায়।



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন ৫০টি শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। এদের মধ্যে ৩২ জন চার বছরের কম বয়সি। প্রতি বছর ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ জন পানিতে ডুবে মারা যায়, তন্মধ্যে ২০ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম। বাংলাদেশে এক থেকে চার বছর বয়সি শিশুদের মোট মৃত্যুর ৪৩ শতাংশ পানিতে ডুবে মারা যায়।সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের শিশুরা পানিতে ডুবছে বাড়ি থেকে ২০ গজের মধ্যে পুকুর, ডোবা কিংবা খাল-বিলে। আর ঘটনাগুলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে ঘটছে। কারণ এ সময় পিতামাতা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থকায় শিশুর খোঁজখবর নিতে পারেন না।



প্রত্যেক পিতামাতাকে সন্তানের ভবিষ্যত্ চিন্তা করে তাদের সাঁতার শেখাতে হবে। একটি কথা স্মরণ রাখতে হবে, শহরে কিংবা গ্রামে বসবাসের সঙ্গে সাঁতার শেখার কোনো সম্পর্ক নেই। বর্ষাকালে চারদিক পানিতে ডুবে যায়, তাই ছোট শিশুরা যেন কোনো অবস্থাতেই চোখের আড়াল হতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে আর নিজের জীবন বাঁচাতে অবশ্যই সাঁতার শিখতে হবে।

মন্তব্য করুন