Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ অক্টোবর, ২০২৪ ০২:৫২ পূর্বাহ্ণ

গুণ গত শিক্ষা বিস্তারে শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভুমিকা।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষক একে অপরের পরিপূরক। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অবশ্যই শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নার্সিং করেন অপর পক্ষে অভিভাবক বাড়িতে শিক্ষার্থীদের নার্সিং করেন। আর এ দুটো সমন্বয়ে গড়ে ওঠে ভালো শিক্ষার্থী।ভালো শিক্ষার্থীর জন্য যেমন ভালো শিক্ষক তেমনি প্রয়োজন ভালো অভিভাবক। কেবলমাত্র একজন ভালো শিক্ষকই তার সকল শিক্ষার্থীদের সমানভাবে শিক্ষা দিতে পারেন। তথাপি ভালো অভিভাবক ওই শিক্ষা বাড়িতে এমন একটি কাজে আসে না। একজন সচেতন অভিভাবকের শিশু খুব কম ক্ষেত্রেই বিদ্যালয়ে বা শ্রেণিকক্ষে খারাপ ফলাফল করে। বাস্তবতা হলো যে সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবক সচেতন তারাই ভালো শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। অপর পক্ষে অসচেতন অভিভাবকের সন্তানরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়া বা অচেতন হয়। তাদেরকে একজন সচেতন শিক্ষক শত চেষ্টা করেও সচেতন করে গড়ে তুলতে পারেন না। তবে এটিও সত্য যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরাই অসচেতন ও পিছিয়ে পড়া হয়। তাদের পরিবারের বিভিন্ন কাজে সাহায্য সহযোগিতা করতে হয় যা এই বয়সে তাদের করার কথা নয়। অসচেতন  অভিভাবকগণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন না। তারা মনে করেন শিক্ষা যেন তেনুভাবে নিলেই হল।কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় যে সচেতন অভিভাবকদের সন্তান দাও পিছিয়ে পড়ে এক্ষেত্রে কে স্টাডি করে দেখা গেছে যে পারিবারিক কলহ,মাত্রাতিরিক্ত আদর সোহাগ, আত্মীয় স্বজনের প্রচুর পরিমাণ আনাগোনা,সন্তানের পড়ালেখা বিষয়ে পূর্ব পরিকল্পনার অভাব ইত্যাদি কারণে তারা পিছিয়ে পড়ে।যেকোনো বিদ্যালয় বা শ্রেণিকক্ষ এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক,  অভিভাবক,,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার অনুগতমান নিশ্চিত করা যাবে। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ