Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ অক্টোবর, ২০২৪ ০৭:৩৩ অপরাহ্ণ

মুহাম্মাদ (ছাঃ)-ই সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল।

সকল নবীর ফযীলত মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথমত, সকল নবীকে এমন কিছু ফযীলত দেয়া হয়েছে, যা অন্য নবীদেরকেও দেয়া হয়েছে। যেমন মূসা (আঃ)-এর সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন। তেমনি মি‘রাজে রাসূল (ছাঃ)-এর সাথেও তিনি কথা বলেছেন। দ্বিতীয়ত, কতিপয় নবীকে এমন কিছু ফযীলত দেয়া হয়েছে, যা অন্য নবীদেরকে দেয়া হয়নি। কিন্তু এই ফযীলত তাঁর অন্য নবীদের উপর শ্রেষ্ঠ হওয়ার প্রমাণ বহন করেনা। এই রকম ফযীলত আমাদের নবীসহ অন্য অনেক নবীকেই দেয়া হয়েছে। যেমন ঈসা (আঃ)-কে বিনা পিতায় সৃষ্টি করা তার জন্য খাছ ফযীলত, যা অন্য নবীদেরকে দেয়া হয়নি।

এজন্য আমি রাসূল (ছাঃ)-এর এই ধরনের ফযীলত নিয়ে আলোচনা করব না। আজকের আলোচনাতে মূলত রাসূল (ছাঃ)-এর ঐ সমস্ত ফযীলতের আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ, যা তাঁর অন্য নবীদের উপর শ্রেষ্ঠ হওয়ার প্রমাণ বহন করে।


কুরআন থেকে দলীল :

১. মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন,

كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَهُمْ مِنْهُمُ الْمُؤْمِنُوْنَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُوْنَ.

‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মাত, যাদেরকে মানুষদের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা তাদেরকে সৎ কাজের আদেশ করবে, অসৎ কাজ থেকে বাঁধা প্রদান করবে এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করবে। যদি আহলে কিতাবরা ঈমান আনত তাহলে তা তাদের জন্য কল্যাণকর হ’ত। (অর্থাৎ তারা এই শ্রেষ্ঠ উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত)। তাদের মধ্যে কিছু মুসলমান এবং অধিকাংশই ফাসেক’ (আলে ইমরান ৩/১১০)


হাদীছ থেকে দলীল :

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَوَّلُ مَنْ يَنْشَقُّ عَنْهُ الْقَبْرُ وَأَوَّلُ شَافِعٍ وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ ‘আমি কিয়ামতের মাঠে সকল আদম সন্তানের সরদার হব। আমিই প্রথত্র ব্যক্তি যাকে প্রথমে কবর থেকে উঠানো হবে। আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে প্রথমে শাফা‘আত করবে এবং যার শাফা‘আত প্রথমে গ্রহণ করা হবে’।[19]


অতএব সর্বশ্রেষ্ঠ নবির পুর্ন অনুসরন ও অনুকরনেই আমাদের জীবনের সফলতা।

মন্তব্য করুন

ব্লগ