সহকারী শিক্ষক
১৩ অক্টোবর, ২০২৪ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ছোটবেলার শিক্ষকদের মনে পড়লে এখনও শ্রদ্ধায় মাথানত হয়ে আসে। প্রতি মুহূর্তে তাদের সম্মান জানাতে ইচ্ছে করে। সেই শিক্ষক হয়তো আজকের শিক্ষকদের মতো কেতাদুরস্ত ছিলেন না কিন্তু নীতি, নৈতিকতা, শাসন ও আচরণ আমাদের অনুকরণীয় ছিলেন । আদর্শের জায়গায় সেই পূজনীয় শিক্ষক আমাদের জীবনের এক একটি নক্ষত্র যার আলোয় আমরা আলোকিত। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জীবনে এমন আদর্শবান শিক্ষকের বড় অভাব। অর্থনৈতিক ভাবে আজকের শিক্ষকদের উন্নয়ন ঘটলেও আদর্শিক ভাবে অনেক শিক্ষক দৈন্য। টাকা উপর্জনের জন্য অনেক শিক্ষককে আদর্শের সাথে আপোষ করতে দেখা যায়। ব্যাচে পড়েনা বলে নম্বর কেটে নেওয়া, ক্লাসে না পড়িয়ে ব্যাচে আসতে বাধ্য করা, সঠিক বিষয়কে নিজের ব্যাক্তি স্বার্থের জন্য ভুল বলে নিজের চিন্তা চেতনাকে প্রাধান্য দেওয়া শিক্ষক কী ছাত্র ছাত্রীদের মনে স্থান করে নিতে পারে? নিশ্চয়ই পারেনা। আমাদের মতো বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা শিক্ষক হিসাবে জীবনের নক্ষত্র খুঁজে পেতে ব্যার্থ । একজন শিক্ষকের সকল আচরণ শিক্ষার্থীর জীবনে প্রতিফলিত হবে এটাই স্বাভাবিক। একজন শিক্ষক হিসাবে আপনি কী কখনো ভেবেছেন শিক্ষার্থীদের আপনি কী দিচ্ছেন? যে তারা আপনাকে মনে রাখবে। আজ শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষক লাঞ্চিত হন।প্রতিবাদ করার কেউ নাই। শুধু আপসোস সমাজটা কোথায় যাচ্ছে? এর পরও অনেক শিক্ষক পাঠদান কৌশল ও আচরণ এর কারণে শিক্ষার্থীদের মনে স্থান করে নিয়েছেন। শিক্ষক হিসাবে আমাদের আদর্শ এমন হতে হবে যেন আপনাকে লাঞ্চিত করতে একজন শিক্ষার্থীর দুই বার চিন্তা করা লাগে। যে আদর্শ পেশায় আপনি যুক্ত তাকে সম্মান দেখিয়ে মাথা উচু করে বাচুন। ধন্য হোক আপনার শিক্ষকতা জীবন শিক্ষার্থীদের মনের মনিকোঠায় আপনার স্থান অটুট থাকুক। শিক্ষক দিবসে এই প্রত্যাশা সকল শিক্ষকদের জন্য। ধন্যবাদ।
কিশোর কুমার মন্ডল
সহকারী শিক্ষক
কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
বটিয়াঘাটা,খুলনা
৭
৭ মন্তব্য