সিনিয়র শিক্ষক
১৪ অক্টোবর, ২০২৪ ০৩:০৯ অপরাহ্ণ
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সার্বজনীন দূর্গাপূজা~
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সার্বজনীন দূর্গাপূজা~
বাংলাদেশে বসবাসকারী সকলেই বাঙ্গালী, বাংলাদেশী এবং বাংলাভাষী। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ স্বাধীনতায় জাতী, বর্ণ -ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই সক্রিয় ভূমিকা পালনের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। কোন একক জাতি কিংবা একক রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহনে নয়। ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বাঙালির শ্রেষ্ঠ ও বৃহৎ উৎসব দূর্গাপূজা। তাই, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ দূর্গাপূজা আজ সার্বজনীন উৎসব। সনাতনধর্মালম্বীরা আশা ও বিশ্বাস করে, ধর্ম যার যার হলেও রাস্ট্র কিন্তু সবার। সবাই সমঅধিকার ও সমমর্যাদা পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ বছর দর্গাপূজায় কিছু অনাকাঙ্খিত ও অপ্রিতীকর ঘটনা সনাতনী হিন্দুদের মাঝে ভয় ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। যেমন~ চট্টগ্রামের জি.এম সেন হলে দূর্গাপূজার অনুষ্ঠানে ইসলামি গজল গাওয়া ও সকলকে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া, দূর্গাপূজার দশমী অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন পাঠ (উজিরপুর - বরিশাল), দূর্গাপূজায় মন্ডবে পেট্রোল বোমা ছুড়া তাঁতীবাজার ঢাকা, ইত্যাদি। বর্তমান সরকারের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও প্রায় ৪৬টি অপ্রিতীকর ও অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। কিন্তু আমেরিকার নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে অনুষ্ঠিত দূর্গাপূজায় সকল ধর্মের মানুষ কোন রকম নিরাপত্তা ছাড়াই স্বাধীনভাবে দূর্গাপূজা উদযাপন করলেন। পাহাড়া দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন দেশের জন্য লজ্জাকর। সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, অপরাধী, সন্ত্রাসী, দুষ্কৃতকারী যে নামেই এদের চিহ্নিত করা হোক না কেন, এরা সংখ্যায় নগন্য। তাই সবাই সচেতন হলেই, এদের র্নিমুল করে দেশকে কলঙ্কমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
১৩
১৯ মন্তব্য