Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ অক্টোবর, ২০২৪ ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

বেঞ্জামিন ব্লুম শিক্ষার উদ্দেশ্যকে ৩ ভাগে ভাগ করেছেন-

বুদ্ধিবৃত্তীয় উদ্দেশ্য-

যে সব শিখন উদ্দেশ্য চিন্তন ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত তা বুদ্ধিবৃত্তীয় সামর্থ্য ও দক্ষতার বিকাশের ক্ষেত্র। ধারণা লাভ,তথ্য, সূত্র ইত্যাদি সম্পরকে জানা বুদ্ধিবৃত্তীয় উদ্দেশ্যের বিভিন্ন পর্যায় আছে। উদাহারন হিসেবে নতুন কিছু জানা(জ্ঞান অর্জন), বুঝতে পারা(অনুধাবন),অর্জিত জ্ঞান ও অনুধাবন নতুন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করতে পারা(প্রয়োগ),অর্জিত জ্ঞান ও অনুধাবন নতুন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করে কোন ঘটনা ব্যাখ্যা করতে পারা(বিশ্লেষণ),অর্জিত জ্ঞান ও অনুধাবন নতুন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করে কোন ঘটনা ব্যাখ্যা করে তার সারসংক্ষেপ তৈরি করা(সংশ্লেষণ), অর্জিত জ্ঞান ও অনুধাবন নতুন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করে কোন ঘটনা ব্যাখ্যা করে তার সারসংক্ষেপ তৈরি করে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারা( মূল্যায়ন)।

মনো পেশিজ উদ্দেশ্য-

মন ও পেশি অর্থাৎ শারীরবৃত্তীয় বা কর্ম সম্পাদন মূলক কৌশল ও দক্ষতার সাথে সম্পর্ক যুক্ত। কাজ করার শারীরিক দক্ষতা যাতে কিছু স্নায়ু পেশিজ সম্পর্ক থাকে তা এই ডোমেইনের অন্তর্ভুক্ত। এর উপ স্তর হচ্ছে Imitation, Manipulation, Control, Articulation, Naturalization.

আবেগীয় উদ্দেশ্য –

দৃষ্টিভঙ্গি,অনুভুতি,আবেগ, মূল্যবোধ, কোন কিছু গ্রহন বা বর্জনের মাত্রা তথা যথাযথ গুনাগুন বিচারের মাত্রা এর অন্তর্ভুক্ত। এর উপ স্তর হচ্ছে গ্রহন,সাড়া প্রদান, গুরুত্ব প্রদান, সংঘটিত করণ, আত্মস্থ করণ।

মন্তব্য করুন