Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ অক্টোবর, ২০২৪ ০২:৪৩ অপরাহ্ণ

শিক্ষার্থীদের নৈতিকতার ভিত্তি যথাযথ বিনির্মাণে অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ

সন্তানের জীবনটাকে সফল ও সার্থক করতে হলে অভিভাবক ও শিক্ষককে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয় সেগুলো হলো- তাদের মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও প্রতিভার বিকাশ, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ, সময়ানুবর্তিতা, শিষ্ঠাচার, সামাজিকতা ও দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পরায়ণতা এবং শৃঙ্খলা। এসব গুণ ও যোগ্যতা যদি কোনো সন্তানের শৈশবে গড়ে না ওঠে, তাহলে পরবর্তী বিদ্যালয়সমূহে তাকে সুপথে পরিচালিত করা ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তাই একটি প্রবাদে আছে- "কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ পাকলে করে ঠাস ঠাস।

 ভাবার্থ: অল্প বয়সে সোনার টুকরো সন্তানদের  নৈতিকতা সৌজন্যতা না শেখালে বয়সকালে  উদ্ধত আচরণ করে।


শিশুর মাঝে সৎ স্বভাব জাগ্রত করতে তাকে বলুন-

  1. সত্য কথা বল, আল্লাহ খুশি হবেন। মানুষের খেদমত কর, আল্লাহ খুশি হয়ে জান্নাত দান করবেন।

মন্দ স্বভাব থেকে পবিত্র করার ক্ষেত্রে বলতে পারেন-

  1. মিথ্যা বল না, কারণ আল্লাহ মিথ্যুককে পছন্দ করেন না। ঝগড়া-বিবাদ কোরো না, তাহলে আল্লাহ নারায হবেন।

সন্তান কোনো ভালো কাজ করলে, তাকে বলুন-

  1. মাশাআল্লাহ, তুমি একটা ভালো কাজ করেছ। আল্লাহ তোমার প্রতি অনেক খুশি হয়েছেন; যারা ভালো কাজ করে আল্লাহ তাদের খুব ভালবাসেন। কোনো মন্দ কিছু করলে বলতে পারেনÑ না, এমন আর করবে না, এতে আল্লাহ তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন।

এভাবে তার মনে আল্লাহর প্রতি ভয় ও ভালবাসা সৃষ্টির চেষ্টা করুন। তাহলে আশা করা যায়, সন্তান সাচ্চা মুমিন ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে, ইনশাআল্লাহ। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের সন্তানদের আপনার প্রিয় বান্দা হিসেবে কবুল করুন। তাদের প্রতি আমাদের কর্তব্য পালনের তাওফীক দান করুন-আমিন।


মন্তব্য করুন