Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ অক্টোবর, ২০২৪ ০৫:১১ অপরাহ্ণ

???বিপদে SOS এবং স্মার্ট ফোন:

???বিপদে SOS এবং স্মার্ট ফোন:

বিপদে পরলে আমরা ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করি। প্লেন বা হেলিকপ্টার নিয়ে কেউ বিপদে পড়লে বলে ‘মেডে’ (Mayday) ফরাসি ভাষায় এর অর্থ ‘আমাকে সাহায্য করুন’। কিন্তু আপনি যদি বাংলাদেশের বাইরে গিয়ে বিপদে পড়েন, আর ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করেন, তাহলে কেউ হয়তো আপনার কথা বুঝবে না। তখন কি করবেন? এ সমস্যা সমাধানের জন্য একটা আন্তর্জাতিক সংকেত নির্বাচন করা হয়। এ সংকেতকেই বলা হয় এসওএস। অনেকটা ইংরেজি ভাষার মতো। সব দেশে গিয়ে আপনি ইংরেজিতে কথা বলে মানুষকে বোঝাতে পারবেন। SOS সংকেতের সাহায্যেও আপনি যেকোনো দেশে সাহায্য পাবেন।

SOS এর পুর্নরূপ হচ্ছে Save our souls.  এটা  আন্তর্জাতিক বিপদ সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

SOS ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ "Si Opus Sit"

বিপদের সময় একমাত্র আশা হতে পারে একটি সঠিক সংকেত। জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচাতে SOS সিগন্যাল পাঠানো হয়

১৯০০ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এ সংকেত ব্যবহৃত হচ্ছে। শুরুতে অবশ্য জাহাজ উদ্ধারের জন্য এ সংকেত ব্যবহৃত হতো। ধীরে ধীরে এ সংকেত সব দেশে পৌঁছে যায়। কারণ, এ সংকেত মনে রাখা ও বোঝা খুব সহজ।

⭕⭕⭕ স্মার্ট ফোন এবং SOS:

জরুরী অবস্থায় আপনার উপকারী বন্ধুর মতো সাহায্য করতে পারে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটা। দূর্গম জায়গায় নেটওয়ার্ক পাবে না, এটাই স্বাভাবিক। তবে স্মার্টফোনে থাকা SOS অপশনের সাহায্যে আপনি সাহায্য চাইতে পারবেন। আইফোনে SOS সংকেত দেওয়ার জন্য একটি ফিচার রয়েছে। জরুরী অবস্থায় আইফোনের সাইড বাটন ও একটি ভলিউম বাটন একসঙ্গে চেপে ধরে এই ফিচারটি চালু করা যায়। এতে স্ক্রিনে ‘ইমার্জেন্সি SOS’ লেখা ওঠে। তারপর ওই লেখায় চাপ দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরুরি সেবায় কল চলে যায়। তবে যারা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী, তাঁরাও এ ফিচার ব্যবহার করতে পারেন। ফোন লকের নিচে ‘SOS ইমার্জেন্সি’ বা ‘ইমার্জেন্সি কল’ কিংবা শুধু ‘ইমার্জেন্সি’ লেখা থাকে। সেখানে চাপ দিলে সরাসরি ৯৯৯ কল চলে যাবে। এভাবেও সাহায্য চাইতে পারেন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ