প্রভাষক
১৮ অক্টোবর, ২০২৪ ০৫:৫১ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
ওয়াল্টন হার্টরাইট একজন চিত্রশিল্পী ও ছবি আকাঁ শিখিয়ে মা এবং বোন সারাহকে নিয়ে অতি কষ্টে সংসার চালান।এক বন্ধুর কাছ থেকে ওয়াল্টন লিমারিজ হাউজে দুই বোনকে ছবি আঁকা শেখানোর চাকরির অফার পেয়ে খুশি মনে তা নিয়ে নেয় কিন্তু শর্ত ছিলো ঐ বাড়িতে থেকে ছবি আকা শেখাতে হবে।
শর্তে রাজি হয়ে লিমারিজ হাউজে যাওয়ার সময় রাস্তায় এক মেয়ে তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে।মেয়েটি একদম সাদা পোশাক পরিহিত যদিও ময়লা পোশাক তবুও তার নাম শ্বেতবসনা বলে ধরে নেয় ওয়াল্টন। মেয়েটিকে পালাতে সাহায্য করে ঐ জায়গা থেকে তখন ঐ মেয়ে ওয়াল্টনকে সাথে কথা বলার সময় লিমারিজ হাউজের কথা বলে।
লিমারিজ হাউজে থাকতো দুই বোন সৎ মেরিয়ান আর লিরা আর তাদের চাচা।মেরিয়ান ছিল একটু কুৎসিত আর লরা ছিলো প্রচুর সুন্দর তাকে প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলে ওয়াল্টন। রাস্তায় দেখা হওয়া শ্বেতবসনার সম্পর্কে সবকিছু বললো মেরিয়ানকে। সব শুনে মেরিয়ান তাকে রহস্য উদ্ঘাটনে সাহায্য করবে জানায়।
ওয়াল্টনের কাছে ছবি আকাঁ শিখতে গিয়ে লরাও ভালোবেসে ফেলে ওয়াল্টন কে কিন্তু লরার বাবা ওর বিয়ে ঠিক করে গেছেন পার্সিভ্যাল গ্লাইডের সাথে। শ্বেতবসনার ওরফে অ্যান দেখতে হুবহু লরার মতোই আর সব মেরিয়ান জানতে পারে তার মায়ের পুরোনো কিছু চিঠি থেকে। অ্যান লরাকে বিয়ের আগে চিঠিতে পার্সিভ্যাল সম্পর্কে সচেতন হতে বলে কিন্তু পার্সিভ্যালের হঠকারিতার কাছে সব মিথ্যা প্রমান হয় তারপর থেকে যদিও ওর প্রতি আরও সতর্ক ছিল তারা।
পার্সিভ্যাল বয়সের দিক দিয়েও বড় আবার তার ছিল সম্পত্তির প্রতি লোভ।এই পুরো ষড়যন্ত্রের সাথে ছিল তার বন্ধু কাউন্ট।এসব কিছুই লরা বিয়ের পর বুঝতে পেরেছে। সম্পত্তি লিখে দেয়ার কথা বলে পার্সিভ্যাল কিন্তু মেরিয়ানের সাপোর্ট করায় লরাকে দিয়ে তা করাতে পারে না।
কান্টের পরামর্শে পার্সিভাল্যাল অ্যানকে মেরে ফেলে লরার পরিচয় দিয়ে লরার সম্পত্তি দখল করে আর লরাকে ঔষুধ দিয়ে মানসিক রোগী সাজিয়ে পাহলাগারদে পাঠিয়ে দেয়।কাউন্ট পরিবার ছিল লরার আপন ফুপা ও ফুপু,লরার বাবার কারনে ফুপু বঞ্চিত হয়েছিল পিতার সম্পত্তি থেকে আর লরা মারা গেলে সে ও পায় কিছু।
কিছুদিন পর মেরিয়ান পাগলাগারদ থেকে লরাকে মুক্ত করে আনে।পার্সিভ্যালকে শাস্তি দেওয়ার আগেই আগুনে পুরে মরে পার্সিভ্যাল।কাউন্ট মারা যায় নিজপেশার মানুষের সাথে বেঈমানী করার কারনে তাদের হাতে আর মরার আগে ওয়াল্টনের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়ে যায়।ওয়াল্টার সব রহস্য উন্মোচন করে লরাকে নিজের পরিচয় ফিরে পেতে সাহায্য করে।শ্বেতবসনা ওরফে অ্যান আসল পরিচয় হলো সে লিরার বাবারই মেয়ে কিন্তু মা ভিন্ন।মেরিয়ানও লিরা আর ওয়াল্টনের সাথে খুশি খুশি থাকে কারণ তার বোন খুশি মানে সেও খুশি।
অবশেষে লিমারিজ হাউজের নতুন উত্তরাধিকারীকে নিয়ে সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে।
১৪
২১ মন্তব্য