সহকারী শিক্ষক
১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭টি গানের সংকলন 'গীতাঞ্জলি' (১৯১০) কাব্য। এ কাব্যের গানগুলি ১৯০৮-১৯০৯ সালের মধ্যে রচিত এবং গ্রন্থাকারে ১৯১০ সালে প্রকাশিত। এ গানগুলো মূলত কবিতা এবং সহজ ও সরল ভাষায়, সাবলীল ছন্দে রচিত। এ গান জাতীয় কবিতাগুলোতে ফুটে উঠেছে ঈশ্বরকে না পাওয়ার বেদনা, আত্ম-অহংকার বিসর্জন দিয়ে সহনশীলতা প্রদর্শন, ঈশ্বরের ক্ষণদর্শনানুভূতি, দীন-হীনদের মাঝে ঈশ্বর কল্পনা, অসীম-সসীমের লীলাতত্ত্ব ইত্যাদি। এর মূলসুর ঈশ্বরকেন্দ্রিক হলেও তা কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়। এটি বিশাল প্রকৃতির সৌন্দর্য থেকে উৎসারিত অধ্যাত্মবোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। গীতাঞ্জলির ১৫৭টি গানের মধ্য থেকে ৫৩টি, 'গীতিমাল্য' ১৬টি, 'নৈবেদ্য' ১৫টি, 'খেয়া' ১১টি, 'শিশু' ৩টি, 'কল্পনা' ১টি, 'উৎসর্গ' ১টি, 'স্মরণ' ১টি, 'চৈতালী' ১টি এবং 'অচলায়তন' থেকে ১টিসহ মোট ৯টি গ্রন্থের ১০৩টি গান/কবিতার ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings নামে নভেম্বর, ১৯১২ সালে ইন্ডিয়া সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়। Song Offerings এর ভূমিকা লিখেন ইংরেজ কবি W.B Yeats. 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের কিছু গানের ইংরেজি অনুবাদ করে দেন ব্রিটিশ লেখক ও অনুবাদক ব্রাদার জেমস ও জো উইন্টার। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings এর জন্য নোবেল পান।
০
০ মন্তব্য