Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ০৬:০২ অপরাহ্ণ

# # # ডাবের শাঁসের উপকারিতা # # #

অনেকেই আছেন যারা ডাবের পানিটুকু খেয়ে ভেতরের শাঁসটা ফেলে দেন। ডাবের শাঁসকে অনেকে মালাইও বলে থাকেন। এটি তেমন কাজের নয় মনে করেই ফেলে দেওয়া হয়। তবে সত্যিটা জানলে এবার থেকে আর ডাবের শাঁস ফেলবেন না। কারণ এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম ডাবের শাঁসে আছে ৩৫৪ ক্যালরি, ৩৩ গ্রাম ফ্যাট, ২০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৫৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৩.৩ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়াও আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২।

ডাবের পানির মতোই উপকারী : ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় থেকে অনেকেই ডাবের শাঁস ফেলে দেন। এর কারণ হলো এতে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। কিন্তু ডাবের শাঁসের রয়েছে অনেকগুলো উপকারিতা। ডাবের পানি, নারিকেল তেল কিংবা নারিকেলের দুধের মতোই ডাবের শাঁসও আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য সমান উপকারী।

ডাবের পানির পুষ্টি : আপনি যদি প্রতিদিন ডাবের পানি পান করেন তবে শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হবে না। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতেও সমান কার্যকরী। ডাবের পানি শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ভালো রাখে ত্বক ও চুল। এতে থাকা পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং ভিটামিন সি জাতীয় পুষ্টি আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। ফ্যাট, চিনি এবং কোলেস্টেরল কম থাকায় এটি পান করা নিরাপদ।

ওজন কমাতে সাহায্য করে ডাবের শাঁস : অনেকের ধারণা হলো, ডাবের শাঁস খেলে তা ক্যালোরি বাড়িয়ে তোলে। আপনি যদি পরিমিত খান তাহলে আর ভয় নেই। এতে শরীরে ফ্যাট জমে না বা ওজনও বাড়ায় না। ডাবের শাঁস দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারবার ক্ষুধা লাগে না। তাই বারবার খাওয়ার প্রয়োজনও হয় না। তাইতো ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না।

হজমে সাহায্য করে : অনেক ধরনের খাবার রয়েছে যা খেতে সুস্বাদু হলেও হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। ডাবের শাঁসের ক্ষেত্রে এমন কোনো সমস্যা নেই। বরং ডাঁবের শাঁস খেলে তা হজমে সাহায্য করে। এতে থাকে প্রচুর ফাইবার যা হজমক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশিপাশি অন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

সংগৃহীত 

মন্তব্য করুন