সহকারী শিক্ষক
২০ অক্টোবর, ২০২৪ ০৭:৫৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বর্তমানে বয়সের গণ্ডি মাত্র ৩০ পেরোনোর পরই হার্টের অসুখ দেখা যাচ্ছে। তবে ডায়েটে বদল আনতে পারলেই নানা ধরনের হার্টের অসুখ এড়িয়ে চলা সম্ভব।
বিভিন্ন ধরণের বাদাম যেমন কাঠবাদাম, আখরোট, চিনাবাদাম খাদ্যতালিকায় রাখা উচিৎ। এগুলোতে প্ল্যান্ট স্টেরল, প্রচুর ফাইবার ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হার্টের জন্য ভালো এবং এলডিএল ও ট্রাইগ্লসারাইড কমাতে সাহায্য করে।
অনেকের মনে করেন, হার্টের জন্য ডিম ক্ষতিকর। এটি ভুল ধারণা। ডিম পুষ্টিকর খাবার। হার্টের সমস্যা থাকলেও সপ্তাহে দুই থেকে চার দিন কুসুমসহ ডিম খেতে পারবেন। বাকি দিনগুলোতে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারবেন।
হার্ট ভালো রাখতে ফাইবার, খনিজ ও ভিটামিনযুক্ত শাকসবজি খেতে হবে। টমেটো, ব্রকলি, পালংশাক, মিষ্টি আলু হার্টের জন্য ভালো।
লাল চাল, লাল আটা, খোসাযুক্ত ওটস, ডাল, শিমজাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে, এগুলো ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
অতিরিক্ত লবণ হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই খাবারে কম লবণ রাখাই ভালো।
ফাস্টফুড, মাখন, ঘি দিয়ে তৈরি খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। খাদ্য তালিকায় এ জাতীয় খাবার কম রাখলে হার্টের অসুখ অনেকাংশে এড়ানো যায়।
১৩
১৮ মন্তব্য