Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ অক্টোবর, ২০২৪ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ

আবেগীয় ক্ষেত্রের ৫টি উপ-ক্ষেত্র রয়েছে।

আবেগীয় ক্ষেত্রের ৫টি উপ-ক্ষেত্র রয়েছে, যেমন-

১. গ্রহণ করা ( Reception  ): কোনো কিছু শোনা, কোনো কিছুর প্রতি মনোনিবেশের ইচ্ছা বা কোনো কিছু সম্পর্কে ব্যক্তির সচেতনতাকে বুঝায়।

নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি বা মনোভাব কিংবা আবেগ বা অনুভূতি দিয়ে কোন কিছু গ্রহণ করা।

২. প্রতিত্রিয়া করা ( Responding  ): কোনো বিষয়ে ব্যক্তি বা শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতি প্রতিক্রিয়া করার প্রবণতা।

কাজের ফলাফল, প্রতিক্রিয়ায় সম্মতিদান, প্রতিক্রিয়ার ইচ্ছা বা প্রতিক্রিয়ার প্রতি সন্তুষ্টির ওপর এ বিষয়টি নির্ভরশীল।

৩. মূল্য আরোপ ( Valuing ):কোনো ঘটনা, বস্তু বা আচরণের ওপর মূল্য বা গুরুত্বারোপ করাকে বুঝায়।

এটি সাধারণ গ্রহণযোগ্যতা থেকে শুরু করে জটিল অবস্থা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে।

মূল্যারোপ ব্যক্তির মাঝে কতগুলো মূল্যবোধ অন্তঃস্থকরণের মাধ্যমে হয়ে থাকে, যা তার বাহ্যিক আচরণের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

৪. সংগঠন (Organizing): বিচার ক্ষমতার মাধ্যমে প্রাধান্য অনুযায়ী বিভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে সংগঠিত করার দক্ষতা।

এই দক্ষতার মাধ্যমে ব্যক্তি বিভিন্ন মূল্যবোধের মধ্যে দ্বন্দ্বগুলোকে সমাধানের মাধ্যমে নিজের মাঝে অনন্য মূল্যবোধের ধারণা সৃষ্টি করে।

সংগঠন দক্ষতার মাধ্যমে ব্যক্তি মূল্যবোধগুলোর মধ্যে তুলনা ও সম্পর্ক নিরূপণ করতেপারে।

৫. মূল্যবোধের অন্তঃস্থকরণ ( Internalizing values ):  এটি এমন একটি মূল্যবোধ, যার মাধ্যমে ব্যক্তি তার আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে।

শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আবেগিক অভিযোজনের যোগ্যতা ক্সতরি করা।

 

মনোপেশীজ ক্ষেত্র

মনোপেশীজ ক্ষেত্রের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য মন ও পেশী একসাথে কাজ করে।

এটি অনেকটা হাতে কলমে কাজ করার সাথে সম্পর্কযুক্ত। একে সাধারণভাবে বলা হয় দক্ষতা।

অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের যেসব আচরণ পেশীজ ক্রিয়া বা কর্মের অন্তর্ভুক্ত এবং যার জন্য স্নায়ুপেশীজ সমন্বয় প্রয়োজন তাদেরকে মনোপেশীজ ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা যায় (তপন ও রশিদ, ২০০৫)।

 

মানুষের দৈহিক ও মানসিক সক্রিয়তার বহিঃপ্রকাশকে মনোপেশীজ দক্ষতা নামে অভিহিত করা হয়।

শিখনের মনোপেশীজ উদ্দেশ্য দ্বারা কতগুলো বিচ্ছিন্ন শারীরিক কার্যকলাপ, প্রতিবর্তী ক্রিয়া বা ব্যাখ্যামূলক গতিকে বুঝায়, যার মাধ্যমে শারীরিকভাবে তথ্যের সংকেতকরণ হয়ে থাকে।

এখানে ব্যক্তি কোন তথ্য বা ধারণা প্রকাশের জন্য বিভিন্ন স্থুল বা সূক্ষ্ম পেশী ব্যবহৃত করে থাকে।

মনোপেশীজ ক্ষেত্রে শারীরিক গতি, সমন্বয় এবং পেশীয় দক্ষতার ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত।

সংগৃহীত 

মন্তব্য করুন

ব্লগ