সহকারী শিক্ষক
২৩ অক্টোবর, ২০২৪ ০৭:৫০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহ.) নামাজে একাগ্রতা সৃষ্টির জন্য দুটি উপায় অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন—
(ক) একাগ্রতা অর্জনের উপায় শক্তিশালীকরণ।
(খ) একাগ্রতাবিরোধী তৎপরতা থেকে দূরে থাকা।
কাজেই নামাজে একাগ্রতার জন্য নিম্নোক্ত উপায়গুলো অবলম্বন করা বিশেষভাবে উপকারী। যথা—
(ক) নামাজের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া।(খ) নামাজে তাড়াহুড়া না করা, বরং ধীর-স্থির থাকা।
(গ) মৃত্যুর কথা স্মরণে রাখা।
(ঘ) নামাজে পঠিত আয়াত ও দোয়ার তাৎপর্য অনুধাবণ করা এবং অর্থ বোঝার চেষ্টা করা।
(ঙ) থেমে থেমে ও মধুর স্বরে তিলাওয়াত করা।
(চ) মনে মনে ধারণা পোষণ করা যে মহান আল্লাহ বান্দার ডাকে সাড়া দিচ্ছেন।
(ছ) নামাজরত অবস্থায় সিজদার স্থানের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখা।
(জ) নামাজে তিলাওয়াতের মধ্যে সিজদার আয়াত এলে সিজদা করা।
(ঞ) বিভিন্ন সময়, সম্ভব হলে বিভিন্ন নামাজে ভিন্ন ভিন্ন সুরা ও দোয়া পড়া।(ট) শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা।
(ঠ) নামাজে একাগ্রতার গুরুত্ব জানা, বোঝা ও অনুধাবণ করা।
(ড) নামাজের পরে প্রামাণ্যসূত্রে বর্ণিত, পঠিতব্য বিভিন্ন দোয়া পড়া ও আমল করা।
(ণ) সব সময় বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা, চর্চা করা।
বস্তুত নামাজের মাধ্যমেই মুমিন হৃদয়ে আল্লাহর প্রেম ও ঈমানি চেতনা জেগে ওঠে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের উচ্চারণ—
‘মসজিদে ওই শোনরে আজান, চল নামাজে চল।
দুঃখে পাবি সান্ত্বনা তুই বক্ষে পাবি বল।ওরে চল নামাজে চল।।
তুই হাজার কাজের অসিলাতে নামাজ করিস কাজা,
খাজানা তারি দিলি না, যে দ্বিন দুনিয়ার রাজা।
তারে পাঁচবার তুই করবি মনে তাতেও এত ছল।
ওরে চল নামাজে চল।’
৩
৩ মন্তব্য