ছোটবেলায় ভাবতাম, মা আমার সবকিছুতে সব সময় “না” বলে। তখন মন খারাপ হতো, রাগ করতাম। কিন্তু এখন আমি মায়ের জায়গা থেকে বোঝার চেষ্টা করি। আমি জানি, ঝট করে রেগে যাওয়া কোনো সমাধান না। আমরা এখন আলোচনা করি, আমি কেন কাজটি করতে চাইছি আর মা কেন ভাবছেন এটা করা উচিত না—এ নিয়ে আলোচনা করতে করতেই বেরিয়ে আসে সুন্দর একটি সমাধান।’ সম্প্রতি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কমিউনিকেশন অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব আয়োজিত ‘পাবলিক স্পিকিং কম্পিটিশন’–এ এমনটাই বলছিলেন একজন প্রতিযোগী। দুটি প্রজন্মের দূরত্বের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর ভুক্তভোগী আমরা সবাই কিন্তু এমন গঠনমূলকভাবে ভাবার সময় বা সুযোগ হয়তো আমাদের অনেকেরই হয় না। অথচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গিয়ে কী দারুণভাবেই না গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী!
৭
৬ মন্তব্য