Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ অক্টোবর, ২০২৪ ০১:১০ অপরাহ্ণ

<><> অহংবোধ ও আত্মম্ভরিতার কুফল <><>

মানুষের মধ্যে এমন কিছু বদস্বভাব রয়েছে যা নিকৃষ্ট ও সবার কাছেই অপছন্দনীয়; এ জাতীয় স্বভাব-চরিত্রকে ‘আখলাকে সায়্যিআ’ বলা হয়। আখলাকে সায়্যিআ’র অন্যতম হলো- অহংকার বা আত্মম্ভরিতা। ইসলামের দৃষ্টিতে অহংকার করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ এবং বান্দার যে সব কাজে কবিরা গুনাহ্ হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো অহংকার; যা মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হওয়া ত্বরাণি¦ত করে। অহংকারের মাধ্যমেই সংঘটিত হয়েছিল দুনিয়ায় প্রথম পাপ। অহংকারি মানুষকে আল্লাহ্ খুব অপছন্দ করেন। তিনি সূরা নাহল-এর ২৩ নং আয়াতে ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) অহংকারিদের ভালোবাসেন না।’ এছাড়াও তিনি সূরা আ‘রাফের ১৪৬ নং আয়াতে ইরশাদ করেন, ‘পৃথিবীতে যারা অন্যায়ভাবে অহংকার প্রকাশ করে তাদেরকে অবশ্যই আমি আমার নিদর্শনাবলি থেকে বিমুখ করে রাখব।’

সূরা নিসার ৩৬ নং আয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ দাম্ভিক আত্ম-গর্বিত ব্যক্তিকে কখনো পছন্দ করেন না।’ এ প্রসঙ্গে হযরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূল (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন: সম্মান হচ্ছে- আল্লাহর পরনের কাপড়; আর অহংকার হচ্ছে- আল্লাহর চাদর। যে ব্যক্তি এটা নিয়ে আমার সাথে টানাটানি করে আমি তাকে শাস্তি দেই। (সহিহ্ মুসলিম: ২৬২০) আত্মার ব্যাধিসমূহের মধ্যে অহংকার ও আত্মম্ভরিতা হচ্ছে গুরুতর একটি ব্যাধি। অহংকার মানে হচ্ছে নিজেকে অন্যের তুলনায় বড় জ্ঞান করা এবং অন্যকে তুচ্ছ ও নিকৃষ্ট মনে করা। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম অহংকার ও দাম্ভিকতা প্রদর্শন করেছে শয়তান। এর শাস্তি স্বরূপ আল্লাহ্ তা’আলা শয়তানকে বেহেশত থেকে বহিষ্কার করেছেন এবং অধমদের দলে অন্তর্ভূক্ত।

মন্তব্য করুন