সহকারী শিক্ষক
২৫ অক্টোবর, ২০২৪ ০৭:৪৯ অপরাহ্ণ
কবি শামসুর রাহমানের জীবনী
পৃথিবী নিয়ত পরিবর্তনশীল । মানুষ সেই পরিববর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে অবিরত। প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু বিস্ময়কর ঘটনার আবির্ভাব ঘটছে। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছেতেই ঘটছে । আর বিশ্বব্রহ্মান্ডের সকল জীব এই ঘটনাগুলোর সাক্ষী। যতই দিন যাচ্ছে ততই মানুষ উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। পৃথিবীর সব দেশেই যুগে যুগে মনীষীদের জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁদের সৃষ্টিশীল, সুদূরপ্রসারী দিক নির্দেশনা, অবদান আজও চিরভাস্মর হয়ে আছে, থাকবে । বাংলাদেশেও অসংখ্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের জন্ম , আমাদের দেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিতি আরোও জনপ্রিয় করে তুলেছে। সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্প, অর্থনীতি ,শিক্ষা সকল ক্ষেত্রেই মনীষীদের অবদান অনস্বীকার্য । তেমন একজন ব্যক্তিত্বের কথা বলছি যিনি বাংলাদেশ এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি নাগরিক কবি হিসেবে পরিচিত, কবি শামসুর রাহমান।
জন্ম ১৯২৯ সালের ২৪ অক্টোবর ঢাকার মহুতটুলীতে । কবির পিতার বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরার পাড়াতলী গ্রামে। বাংলাদেশের সমকালের কবিদের মধ্যে তাঁকে শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়। জীবদ্দশাতেই তিনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছিলেন। তিনি পেশায় একজন সাংবাদিক ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। তিনি সাহিত্যক্ষেত্রে অসংখ্য অবদান রেখে গিয়েছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দুই বাংলায় কবি হিসেবে পরিচিতি পান। তিনি কবিতা, উপন্যাস, আত্মস্মৃতি ,শিশুতোষ ,কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য এবং বিখ্যাত কবিতার মধ্যে স্বাধীনতা তুমি, তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা , বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা প্রভৃতি।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কবি শামসুর রাহমান ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় পরলোক গমন করেন। কবি চলে গেলেও তাঁর রেখে যাওয়া বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম গুলো চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
১৩
১৯ মন্তব্য