সহকারী প্রধান শিক্ষক
২৬ অক্টোবর, ২০২৪ ১১:০৭ অপরাহ্ণ
সহকারী প্রধান শিক্ষক
আপনি যদি বাস্তব জীবনে চরম অসুখী হোন, তবে ভুলেও ভার্চুয়াল কোনো সম্পর্কে জড়াবেন না। আপনি যে মানসিক যন্ত্রণায় তীলে তীলে নিজের ভেতর শেষ হচ্ছেন, তার চাইতেও দ্বিগুণ যন্ত্রণা এই ভার্চুয়াল সম্পর্কে!
ভার্চুয়াল সম্পর্কে প্রেম, আবেগ-অনুভূতি, আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি, সবকিছু মিথ্যা। যেখানে একজন ভালো থাকলেও অপরজন কখনো ভালো থাকতে পারে না।
আপনি যখন বাস্তব জীবনে অসুখী হয়ে ভার্চুয়াল জগতে সুখ খুঁজতে চাইবেন, ঠিক তখনই প্রতারিত হবেন। সে যেভাবেই হোক, আপনি ঠকবেন, আপনাকে ঠকানো হবে। একজন আরেকজনের প্রতি গুরুত্ব দেখালেও সত্যিকার অর্থে ভার্চুয়াল সম্পর্কে বিন্দুমাত্র টান থাকে না। অপরদিকে যে সম্পর্কে আপনি ভালো থাকবেন বলে জড়াবেন, সেই সম্পর্কই আপনাকে আরও বেশি মানসিক যন্ত্রণা দিতে থাকবে!
শারীরিক দূরত্ব কখনোই অনুভূতি, সম্পর্ক দমাতে পারে না। তবে এই দূরত্ব যদি সারাজীবনের জন্য হয়, তবে নিশ্চিত ভাবে তা আহত করবেই! ভার্চুয়াল জগতে আপনি মন থেকে যতই পরিষ্কার এবং নিখুঁত হোন না কেন, অপরজনও যে আপনার সাথে ছলনা করছে না, তার নিশ্চয়তা কখনো দেয়া যায় না। কাউকে মন থেকে ভালো না বেসেও তাকে ভালোবাসি বলাটা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো ছলনার ব্যাপার।
এক সম্পর্কে সবকিছু ঠিকঠাক পাওয়ার পরেও কিংবা বাস্তব জীবনে সুখী হওয়ার পরেও যারা কৌতূহল বশত কিংবা শুধুমাত্র ভালো লাগা থেকে ভার্চুয়াল সম্পর্কে জড়ায়, অবশ্য ভার্চুয়াল সম্পর্কে তারাই ভালো থাকে। তবে যার সাথে জড়ায়, সেই বেচারি আর ভালো থাকতে পারে না!
মনো রাখবেনঃ
বাস্তব জীবনে আপনি অসুখী মানে আপনার জন্য পৃথিবীতে কোনো সুখ নেই। সে যেখানেই যান, যার কাছেই যান, সুখ মিলবে না। আপনার কষ্ট, আপনার অভাববোধ, আপনার সব যন্ত্রণাগুলো একান্তই কেবল আপনার। এর দায়ভার কিংবা ভাগ, কেউ ভার্চুয়াল ভাবে নিবে না। বাস্তব জীবনে আশেপাশে দিব্যি চোখের সামনে থাকা আপন মানুষের মুখোশ পরা মানুষগুলোই যখন আপনার ভালো থাকার দায়ভার নিচ্ছে না, সেখানে মুঠোফোনের ওপাশে থাকা মানুষগুলো কীভাবে নিবে?
#সংগৃহীত লিগ্যাল জাস্টিস।
১
১ মন্তব্য