সহকারী শিক্ষক
২৭ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
আমরা বলে থাকি ছেলে মেয়ে উভয়েই সমান। কিন্তু আসলেই কি তাদের সমান চোখে দেখা হয়?
আমি দেখেছি গ্রাম এলাকায় এখনো ছেলে মেয়েকে সমান ভাবে দেখা হয় না। নারীদের চাকরি করাকেও দেখা হয় নেতিবাচক ভাবে। তাদের বেলায় শিক্ষকতা ছাড়া অন্য কোনো পেশাকে ভালো ভাবে দেখা হয় না।
গ্রামের নানি-দাদিদের প্রায়ই বলতে শুনি, "মেয়ে মানুষ আবার কীসের চাকরি করবে। কয়েকদিন পর বিয়ে করে সংসার করবে।"
এমন সামাজিক হেনস্থার কথা চিন্তা করে অনেক নারী এখনো নিজেকে চার দেয়ালের মাঝে বন্দি করে রাখে। এছাড়া সাহস করে যদি কোনো নারী চাকরি করে তাহলে তার প্রতি অনেক প্রশ্নও তোলা হয়।
যখন সমাজ কোনো নারী নির্যাতন বা যৌন হয়রানির কথা শোনে তখন নারীদের উপরই দোষ চাপিয়ে দেয়। তারা বলে উঠে কেন নারী এত রাতে বাড়ি ফিরবে? কেন চাকরি করবে? নির্মমতা আর পাশবিকতার শিকার নারীর উপরই চলে সমাজের অত্যাচার।
তাই আমি চাই, সমাজের এসব দৃষ্টিভঙ্গির যেন পরিবর্তন ঘটে। নারী পুরুষ সবাই যেন সমান অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে।
তথ্যসূত্র -বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
উপস্থাপনায়-
সুশিল চন্দ্র রায়
জেলা আইসিটি এম্বাসেডর
সহকারী শিক্ষক
মুরারীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর।
৬৪
১০০ মন্তব্য