Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ অক্টোবর, ২০২৪ ০৬:৩৩ অপরাহ্ণ

প্রশ্ন যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে।

প্রশ্ন যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়েঃ-


অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে ডিপ্লোমাধারীদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়,  আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরিতে যোগদানের পর পরই  সিইনএড বা ডিপিএড করা লাগে যা খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ।  পেশাগত দক্ষতার উৎকর্ষ সাধনে এর কোনো জুড়ি নেই। 


এই প্রশিক্ষণ থাকা সত্ত্বেও কেন শিক্ষকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিম্ন মন মানসিকতার অবুঝ বিবেকহীনরা! 


খুব কম সংখ্যক  শিক্ষক হয়ত এসএসসি পাস আছেন, কিন্তু তাঁরা তো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত!

উল্লেখ্য যে, যারা এসএসসি পাস করে ২০০৭ এর আগে শিক্ষক হয়েছেন তারা কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় অনার্স মাস্টার্স হোল্ডারদের সাথে লড়াই করেই শিক্ষক হয়েছেন। তখন কিন্তু ঐ এসএসসি বা এইচএসসি পাস করা শিক্ষকরাই সেরা ছিল। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অনার্স মাস্টার্সদেরও পিছনে ফেলে ঐ এসএসসি বা এইচএসসিরা যোগ্যতার প্রমাণ রেখেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন।


শিক্ষাগত যোগ্যতা দিয়ে যদি বেতন গ্রেড হয় তবে পিএইচডি করা প্রাথমিক শিক্ষক আছেন তাকে কোন গ্রেড দিবেন?


 এসএসসি পাস সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্যরা কেনো প্রমোশন পেয়ে ২য় শ্রেণির কর্মকর্তা হয়?  নার্স, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কেন ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে ২য় শ্রেণির মর্যাদা পায়? একজন সরকারি গাড়ি চালকের বেতন, ব্যাংকের একজন পিয়নের বেতন  কেন শিক্ষকের চেয়ে বেশি? 


এমন অনেক প্রশ্ন আছে যার উত্তর জানা নেই কারও । তার মানে এই নয় যে, আমরা তাঁদের  বেশি বেতনের বিরোধীতা করছি?   আমরাও যে ১০ম গ্রেড পাওয়ার যোগ্যতা রাখি, এটা আমাদের ন্যায্য অধিকার তা তুলে ধরেছি মাত্র। 


অনেকেই বলবেন, বেতন দিয়ে কি মর্যাদার মাপ করা যায়? তাহলে আপনারাই বলুন শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদার মাপকাঠি কি? 

আমাদের প্রাথমিক শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দিলে অমুকরা তমুকরা কত গ্রেড পাবে? এটা কি আমাদের ভাবার কাজ?  আপনাদের যোগ্যতা থাকলে ১ম গ্রেডের দাবি করুন এতে আমাদের কোন আপত্তি নাই।  আমরা শুধু শতভাগ পদোন্নতির সুযোগসহ ১০ম গ্রেড চাই। এটা আমাদের সময়ের দাবি ও ন্যায্য অধিকার। 


বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কারিকুলাম  প্রণয়নে বহির্বিশ্বকে অনুসরণ করা হয় কিন্তু তাদের বেতন কাঠামো অনুসরণ করা হয় না কেন? 


আমাদের সিইনএড বা ডিপিএড প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সকল শিক্ষকের শতভাগ পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি ও  ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন  এখন সময়ের দাবী।  


তোসলিমা ম্যাডাম 

কাপাশিয়া সপ্রাবি, 

পবা,রাজশাহী। 


এসএসএসি ( ১ম বিভাগ)। 


এইচএসসি (১ম বিভাগ) । 


স্নাতক ( সম্মান)  - (২য় শ্রেণি)।


স্নাতকোত্তর (  ২য় শ্রেণি )। 


সমাজবিজ্ঞান বিভাগ,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। 


৯ম প্রভাষক নিবন্ধিত। 


সিইনএড ( ১ম বিভাগ)  


এমএড ( ২য় শ্রেণি) । 


আইসিটি, 

কম্পিউটার ডাটাবেইজ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।


নিয়োগ : ১০/০১/ ২০০৮ ইং।


আসুন আমরা শিক্ষকতা পেশাকে সম্মান করি, শিক্ষকের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলি, শিক্ষকের পোস্টে নেতিবাচক, আক্রমণাত্মক কমেন্ট না করি।


ধন্যবাদ #সবাই কে ।

মন্তব্য করুন