Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ অক্টোবর, ২০২৪ ০৬:৫০ অপরাহ্ণ

এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন

এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন

জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে দেশব্যাপী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান ক্যাম্পেইন (চূড়ান্ত পর্যায়) শুরু করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারঃএবারের লক্ষ্যমাত্রা সারাদেশে ৬২ লাখেরও বেশি মেয়েকে টিকা প্রদান

দ্যা ভ্যাকসিন এলায়েন্স (গ্যাভি), ইউনিসেফ এবং ডাব্লিউএইচও-এর সহায়তায়, ঢাকায় টিকাদান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের সমাপ্তির পর দেশের অবশিষ্ট সাতটি বিভাগে এই ক্যাম্পেইনটি (প্রচারাভিযানটি)পরিচালিত হবে।

জরায়ুমুখ ক্যান্সার থেকে প্রতিটি মেয়েকে সুরক্ষিত করতে এইচপিভি ক্যাম্পেইনের সামগ্রিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন, এইচপিভি ভ্যাকসিন সরবরাহ, কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনাভ্যাক্সইপিআইঅ্যাপের ব্যবস্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তন যোগাযোগ কৌশল তৈরী এবং সর্বাধিক সংখ্যক জনসাধারণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে ইউনিসেফ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

আমাদের বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীদের সকলকে এইচপিভি টিকা দেয়া হয়েছে।

জরায়ুমুখ ক্যান্সারে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার নারীর মৃত্যু হয়, তবে কেবল টিকাদানের মাধ্যমে এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যেতে পারে। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এই টিকা হচ্ছে সবচেয়ে সাশ্রয়ী একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই টিকা নেওয়া মেয়েদের প্রায় ৯০ শতাংশের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে গেছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

মন্তব্য করুন