Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০৬:০৬ অপরাহ্ণ

শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

এ বছরও বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীতে পরিপূর্ণ। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ কম হওয়ার কারণে ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে চিন্তার কারণ থাকে বেশি।  

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গুতে শিশুরা অন্যদের তুলনায় বেশি ঝুঁকিতে থাকে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের জ্বর আসার পাশাপাশি ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, খাবারে অরুচি, বমি শুরু হতে পারে। তবে, শিশুর জ্বরের পাশাপাশি প্রসাবের মাত্রা কমে গেলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। 

এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়। এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। ফুলের টব, পুরানো টায়ার, ড্রাম, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনে ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, ছাদ ও বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্রে এডিস মশা জন্ম নেয়। 

তবে, ডেঙ্গু এখন আর মৌসুমি রোগ নয়। সারাবছর কমবেশি ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায়। তাই সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। 

ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ জ্বর। এ সময় শরীরের তাপমাত্রা ১০২–১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এর সঙ্গে দেখা দিতে পারে শরীরের নানা স্থানে র‍্যাশ, বমি, জ্বর, মাথা ও মাংশপেশিতে ব্যথা। শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর লক্ষণ প্রায় একি রকম। জ্বর, মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা, চোখ ব্যথা, বমির ভাব কিংবা বমি, খাবারে অরুচি, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া ইত্যাদি হলো শিশুর ডেঙ্গুর লক্ষণ। 

শিশুর ডেঙ্গুজ্বর হলে অবশ্যই মশারির ভেতরে রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে নবজাতককে সবসময় মশারির ভেতরে রাখা জরুরি। পাশাপাশি এডিস মশার আবাসস্থল ধ্বংস করা প্রয়োজন। যেসব জায়গায় পানি জমে থাকে, সেসব স্থানে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার বংশবিস্তার ঘটে। শিশুর পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এসব স্থান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। এতে সবাই নিরাপদে থাকবে। 

আসুন জেনে নিন,শিশুর ক্ষেত্রে ডেঙ্গুজ্বরে করণীয় কী কী হতে পারে:   

১. শিশুকে বিশ্রামে রাখুন।২. তরল খাবার খেতে দিন। ৩. মশারির পাশাপাশি ফুলহাতা পোশাক পরিয়ে রাখুন। ৪. পানি পাশাপাশি ডাবের পানি, বিভিন্ন রকমের ফলের জুস, লেবুর শরবত, খাবার স্যালাইন খেতে দিন।৫. শিশুর প্রস্রাবের দিকে খেয়াল রাখুন। প্রস্রাব কম হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ