সহকারী শিক্ষক
০৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০৬:৫২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
গবেষণায় দেখা গেছে, ৮০-৯০ শতাংশ নিরামিষাশীদের মধ্যে ভিটামিন ‘বি-১২’ এর অভাব দেখা দেয়। কারণ ভিটামিন ‘বি-১২’ উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্যে নেই। তাই ভিটামিন ‘বি-১২’ এর অভাব পূরণ করতে অবশ্যই খেতে হবে প্রাণিজ খাবার।
ভিটামিন ‘বি-১২’ এর উৎস :
প্রাণিজ খাবার মাংস, মাছ, দুধ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার- দই, পনির, পায়েস, সন্দেশ, ছানা এসব খাবার থেকে ভিটামিন ‘বি-১২’ পাওয়া যায়।
তবে যারা নিরামিষ ভোজী তারা সবুজ শাক, রঙিন সবজি ও ফলমূল, বাদাম, রুটি, পাস্তা, নুডলস, সিরিয়াল ও সয়ামিল্ক, সয়াবিন থেকে ভিটামিন-১২ পেতে পারেন। তবে দ্রুত ঘাটতি দূর করতে আপনাকে অবশ্যই প্রাণিজ খাবার খেতে হবে এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।
প্রতিদিন কতটুকু ভিটামিন ‘বি-১২’ খাওয়া উচিত?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিটামিন ‘বি-১২’ খাওয়ার পরিমাণ বয়সের ওপর নির্ভর করে।
১। ৪-৮ বছর ১.২ মাইক্রোগ্রাম।
২। ৯-১৩ বছর ১.৮ মাইক্রোগ্রাম।
৩। ১৪-১৮ বছর ২.৪ মাইক্রোগ্রাম।
৪। প্রাপ্তবয়স্ক ২.৪ মাইক্রোগ্রাম।
৫। অন্তঃসত্ত্বা হলে ২.৬ মাইক্রোগ্রাম।
৬। বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের ক্ষেত্রে ২.৮ মাইক্রোগ্রাম নিয়মিত ভিটামিন ‘বি-১২’ প্রয়োজন।
যা ভিটামিন ‘বি-১২’ সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে পূরণ করতে হবে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন?
ভিটামিন ‘বি-১২’ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের পরও যদি ভিটামিন ‘বি-১২’ এর অভাবের লক্ষণগুলো স্পষ্ট থাকে তবে সতর্ক হন। খেয়াল করুন ত্বক ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে কিনা, প্রায়ই দুর্বল বোধ করেন কিনা, আপনার চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছে কি না, শ্বাসকষ্ট অনুভব করছেন কি না। যদি এসব সমস্যা অনুভব করেন তবে ভিটামিন ‘বি-১২’ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
চিকিৎসক ভিটামিন ‘বি-১২’ এর অভাব নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন। রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তিনি ডায়েটে পরিবর্তন আনার পরামর্শ বা সেই অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধ লিখে দেবেন। চিকিৎসকের এ নির্দেশনা মেনে চললেই দ্রুত শরীরে ভিটামিন ‘বি-১২’ এর ঘাটতি থেকে মুক্তি পাবেন।
৭
৭ মন্তব্য